সেই কবে ক্রিকেট থেকে অবসর নিয়েছেন সৌরভ গাঙ্গুলী। এরপর বিসিসিআইয়ের প্রেসিডেন্টও হয়েছিলেন। তবু গ্রেগ চ্যাপেলের সঙ্গে ঐতিহাসিক বিতর্ক থামার কোনো লক্ষণ নেই। এবার চ্যাপেল নিজেই পুনরায় শুরু করলেন পুরনো বিতর্ক। তিনি এবার দাবি করেছেন, ২০০৫ সালে ভারতের তৎকালীন ক্রিকেট বোর্ড সভাপতি জগমোহন ডালমিয়া অধিনায়ক সৌরভ গাঙ্গুলীর নিষেধাজ্ঞা কমানোর প্রস্তাব দিয়েছিলেন। তবে তিনি তা প্রত্যাখ্যান করেন।
গাঙ্গুলী-চ্যাপেলের দ্বৈরথ ভারতীয় ক্রিকেটে বহুল আলোচিত একটি বিষয়। অনেকের মতে, চ্যাপেলের কারণেই অকালে ক্যারিয়ার শেষ হয়েছিল গাঙ্গুলীর। ২০০৫ সালে পাকিস্তানের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজে ধীর ওভার রেটের কারণে সৌরভ গাঙ্গুলীকে আইসিসি ৬ ম্যাচের নিষেধাজ্ঞা দিয়েছিল। পরে আপিলের পর ৪ ম্যাচে নামিয়ে আনা হয়। ওই সময় ম্যাচ রেফারি ছিলেন ক্রিস ব্রড, যিনি সম্প্রতি অভিযোগ করেছেন যে আইসিসি ভারতকে ‘বিশেষ সুবিধা’ দিয়েছে।
চ্যাপেল তখন ভারতের প্রধান কোচ হিসেবে নতুন দায়িত্ব পেয়েছিলেন। নিষিদ্ধ থাকায় ‘ইন্ডিয়ান অয়েল কাপ’-এর প্রথম দুটি ম্যাচে খেলতে পারেননি গাঙ্গুলী। সেই ঘটনা নিয়ে সিডনি মর্নিং হেরাল্ডকে চ্যাপেল বলেন, ‘(জগমোহন) ডালমিয়া প্রস্তাব দিয়েছিলেন গাঙ্গুলীর নিষেধাজ্ঞা কিছুটা কমিয়ে দেওয়া যায় কিনা। এতে সে শ্রীলঙ্কা সফরের শুরুতেই দলে থাকতে পারে। আমি বলেছিলাম, “না, নিয়ম ভাঙব না— তাকে সাজা কাটাতে হবে”।’
এর আগে ক্রিস ব্রড ‘দ্য টেলিগ্রাফ’-কে বলেছিলেন, ‘এক ম্যাচে ভারত তিন-চার ওভার পিছিয়ে ছিল (স্লো ওভার রেটিং)। আমাকে ফোনে বলা হলো- “এটা ভারত, একটু সহনশীল হও”। আমরা চেষ্টা করে কিছুটা সময় কম দেখালাম। কিন্তু পরের ম্যাচেও একই ঘটনা ঘটে। গাঙ্গুলী সময়ানুবর্তী না হওয়ায় তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে বলা হয়। ভারত এখনও আইসিসিকে প্রভাবিত করছে। অনেক কিছুই এখন রাজনৈতিকভাবে নিয়ন্ত্রিত। আমি খুশি যে এখন আর ওই ব্যবস্থার অংশ নই।’
‘জেলে কোনো বিশেষ সুবিধা নেই’ -জানালেন ধর্ষণের সাজা ভোগ করা রবিনহো
ম্যাচ ফিক্সিংয়ে একসময় নিষিদ্ধ আজহারউদ্দিন মন্ত্রী হতে চলেছেন