অংকন-মজিদের দিনে সেঞ্চুরি মিস করলেন মুমিনুল

আপডেট : ০২ নভেম্বর ২০২৫, ০৭:৪৬ পিএম

জাতীয় ক্রিকেট লিগে সেঞ্চুরি করেছেন মাহিদুল ইসলাম অংকন, আব্দুল মজিদ। তবে অল্পের জন্য সেঞ্চুরি মিস করেছেন মুমিনুল হক। 

ঘরোয়া মৌসুমের প্রথম ম্যাচে চট্টগ্রাম জিতলেও ব্যাট হাতে নিষ্প্রভ ছিলেন মুমিনুল হক। রাজশাহীতে ১৩ ও ০ করেছিলেন দুই ইনিংসে। দ্বিতীয় রাউন্ডের ম্যাচে ফর্মে ফিরেছেন বাহাতি ব্যাটার। তবে সেঞ্চুরির কাছে গিয়ে মিস করেছেন তিনি। 

কক্সবাজারে প্রথম দিন বরিশালের বিপক্ষে ৮৪ রানে অপরাজিত ছিলেন তিনি। আজ সকালে সেই রানের সঙ্গে আর ৮ রান যোগ করতেই আউট হয়ে গেছেন তিনি। পেসার রুয়েল মিসার বলে শেষ হয় তার ১৪৫ বলের ইনিংস। প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে তুষার ইমরান, নাঈম ইসলামের পর তৃতীয় ১০ হাজারী ব্যাটারের রান এখন ১০৩৩৬। তার সেঞ্চুরি সংখ্যা ২৯। 

২৭৫ রানে মুমিনুল পঞ্চম ব্যাটসম্যান হিসেবে আউট হওয়ার পর চট্টগ্রাম ইরফান শুক্কুর (২১), নাঈম হাসান (৩৫) ও হাসান মুরাদ (২৮) ছোটো ছোটো ইনিংসে করে ৩৫৮ রান। এর আগে ওপেনার সাদেকুর রহমান করেছিলেন ১২২। 

জবাবে ২ উইকেটে ১১৫ রান নিয়ে দিন শেষে করেছে বরিশাল। 

নাঈম-রবিনের পর মজিদ

কক্সবাজারের আরেক মাঠে প্রথম দিন সেঞ্চুরি করেছিলন ময়মনসিংহের দুই ওপেনার মাহফিজুল ইসলাম রবিন ও নাঈম শেখ। ২ উইকেট ২৮১ রান নিয়ে দ্বিতীয় দিনে খেলতে নামা ময়মনসিংহকে ৫৫৫ রানে নিয়ে গেছেন অভিজ্ঞ ব্যাটার আব্দুল মজিদ। ৮ রান নিয়ে সকাল শুরু করা মজিদ ১৪তম সেঞ্চুরি করার পথে শুভাগত হোমের সঙ্গে পঞ্চম জুটিতে ১৩০ এবং আবু হায়দার রনির সঙ্গে অবিচ্ছিন্ন ৭ম উইকেট জুটিতে যোগ করেন ৭৭ রান। শেষপর্যন্ত ১৮৬ বলের ১১৯ রান করে অপরাজিত থাকেন মজিদ। 

উইকেট কিপার মিম মোসাদ্দেক ছাড়া রংপুরের সবাই বল করেও ময়মনসিংহের ইনিংস শেষ করতে পারেননি। ৬ উইকেটে ৫৫৫ রানে ইনিংস ঘোষণা করেন শুভাগত। জবাবে ১৪ রান তুলতেই দুই ওপেনারকে হারায় রংপুর। 

অংকন বাচিয়ে তুললেন ঢাকাকে

সিলেটে দেরিতে শুরু হওয়া ম্যাচে প্রথম দিন ৫ উইকেটে ১২০ রান তুলেছিল ঢাকা বিভাগ। দ্বিতীয় দিনের প্রথম ঘণ্টায় সেটা পরিণত হয় ১৪০/৬-এ। সেখান থেকে অংকন সুমন খানের সঙ্গে জুটি বেধে দলকে ৩১০ রানের পূজি এনে দিয়েছেন। অষ্টম উইকেটে ১২৫ রান যোগ করেন দুজনে। এর ৭৪ রানই সুমন খানের। ৯৯ বলে ১১ বাউন্ডারি ও ১ ছক্কা মেরেছেন এই ফাস্ট বোলার। 

২৭২ বলে ১৩ বাউন্ডারিতে ১২২ রান করা অংকন শেষ ব্যাটসম্যান হিসেবে আউট হন অংকন। তিনটি করে উইকেট নেন দুই পেসার এবাদত ও খালেদ। 
জবাবে বিনা উইকেটে ৩৩ রান তুলেছেন সিলেটের দুই ওপেনার। 

রাজশাহীর শুভ ৮৯ রানের ইনিংস খেলে দলকে টেনে তুলেছেন। ছবি: বিসিবি

মিরপুরে শান্তর দল এগিয়ে 

মিরপুরে ১৩ উইকেটের পতন হওয়া প্রথম দিনে খুলনাকে ১২১ রানে গুটিয়ে দিয়ে রাজশাহী তুলেছিল ৩ উইকেটে ৮৭। আজ সকালে সাব্বির রহমানকে আউট করেন মেহেদী হাসান মিরাজ। এরপর প্রীতম কুমার (৪৭), মেহেরব হোসেন (২৬) ১৬৪ রানের মধ্যে বিদায় নিলে বড়ো বিপদে পড়ে রাজশাহী। কিন্তু উইকেটকিপার ব্যাটার সাকির হোসেন শুভ্রর দৃঢ়তায় শেষপর্যন্ত ২৬৮ রান করতে পেরেছে তারা। সেঞ্চুরির আশা জাগিয়েও মৃত্যুঞ্জয় চৌধুরীর বলে ৮৯ রানে আউট হয়ে যান শুভ্র। 

দ্বিতীয় ইনিংসে ১ উইকেটে ৬৮ রান তুলেছে খুলনা। পিছিয়ে আছে এখনো ৭৯ রানে। 

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত