বিখ্যাত কণ্ঠশিল্পী নচিকেতার একটি গান আছে ডাক্তারদের নিয়ে। সেই গানের একটা লাইন – ‘সরকারি হাসপাতালের পরিবেশ, আসলে তো তোমরাই করেছ শেষ’। এই গান চিকিৎসকেরা স্বাভাবিকভাবেই পছন্দ করেন না। তবে বাংলাদেশের সরকারি হাসপাতালগুলোর সেবার মান দেখলে নচিকেতাই প্রতি মুহূর্তে সত্যি প্রমাণিত হন।
বাংলাদেশের সরকারি হাসপাতালগুলোর বেহাল দশা নিয়ে জনগনের ক্ষোভ বহুদিনের। হাসপাতালের দূয়ার থেকে অপারেশন থিয়েটার পর্যন্ত দালালদের রাজত্ব। এসব দালালরা রোগীর স্বজনদের জিম্মি করে নিয়ে যান প্রাইভেট ক্লিনিকে। জরুরি বিভাগে ডাক্তার পাওয়া যায় না, সেইসঙ্গে দুর্ব্যবহার তো আছেই। এবার এসব ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী হয়েছেন জাতীয় ক্রিকেট দলের অধিনায়ক নিগার সুলতানা জ্যোতি।
নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে গতকাল রাতে একটা পোস্ট দিয়েছেন জ্যোতি। সেই পোস্টে তিনি লিখেছেন, ‘সরকারি হাসপাতালে জরুরি বিভাগে ডাক্তার নাই! প্রাইভেট সেন্টারে সিজার করবে এমন রোগী বেশি প্রাধান্য পায়। টেস্ট করাইতে গেলে আরও খুশি! চিকিৎসা ব্যবস্থা নিয়ে কিছু বলার নাই। আজ নিজের চোখে যা দেখলাম ও বুঝলাম; মনে হলো আল্লাহ কাউকে রোগ-বালাই দিও না, একদম ডিরেক্ট মৃত্যু দিও!’
জ্যোতির পোস্টে এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত সাড়ে ৪ হাজারের বেশি কমেন্ট পড়েছে। সবাই ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সরকারি হাসপাতালের সেবা নিয়ে। যেমন নাঈম খান লিখেছেন, ‘সরকারি হাসপাতালে ডাক্তার নিয়ে কারো মাথা ব্যাথা নাই,কারন তারা তো সিঙ্গাপুর, কাতার,দেশের বাইরে চলে যায় চিকিৎসা করতে, সংসদে নতুন আইনপাশ করা দরকার যত সরকারি কর্মকর্তা আছে তাদের সকলের চিকিৎসা হবে সরকারি হাসপাতালে, তবেই দেশের মানুষ সঠিক চিকিৎসা খুজে পাবে।
এস এম সাইফুর রহমান কমেন্টে লিখেছেন, ‘যদিও সেলেব্রিটিদের সাথে এমনটা হয় না, তারপরও একজন বাংলাদেশ মহিলা দলের অধিনায়ক যেখানে এমন সমস্যা সম্মুখীন হয়েছে সেখানে সাধারণ জনগণ!! হায়রে… মানুষ কিছু মানুষ তো বসেই থাকে বিপদগ্রস্ত মানুষের কাছ থেকে সুযোগ লুফে নেওয়ার জন্য! এরা আসলে মানুষ নয় এরা এক ভিন্ন জাতি।’
বিশ্বকাপের সেরা একাদশে তিন ভারতীয় এক পাকিস্তানি; নেই বাংলাদেশের কেউ
সর্বকনিষ্ঠ ফুটবলার হিসেবে ফিফাপ্রো বিশ্ব একাদশে ইয়ামাল
মাথা টেপানো থেকে শারিরীক হেনস্থা - জ্যোতির বিরুদ্ধে মারাত্মক অভিযোগ!