মুশফিকের ক্ষ্যাপাটে উদযাপন, জিশানের সেঞ্চুরি মিস, ৩৬ রানে ডিক্লেয়ার্ড

আপডেট : ০৪ নভেম্বর ২০২৫, ০৬:১৫ পিএম

সিলেট অ্যাকাডেমি মাঠে ম্যাচের চতুর্থ দিনের দ্বিতীয় ওভারেই আউট হয়ে যান এবাদত হোসেন। এক ওভার পরেই আউট দশে নামা খালেদ আহমেদও। মুশফিক রহিম তখন অপরাজিত ৯৬ রানে। 

পেসার এনামুল হকের অফ স্টাম্পের বাইরে বল স্কুপ করে কিপারের ওপর পাঠিয়ে দিলেন মুশফি গেল বাউন্ডারিতে। সেদিকে এক ঝলক দেখেই বোলার এনামুল হকের দিকে তাকালেন মুশফিক। হুঙ্কার ছুড়লেন মুষ্ঠিবদ্ধ হাত বোলারের দিকে দেখিয়ে। আগুনে দৃষ্টিতে কিছুক্ষণ তাকিয়েও রইলেন বোলারের দিকে। এরপর উঁচিয়ে ধরলেন ব্যাট ও হেলমেট। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে মুশফিকের নানারকম উদযাপন নানা সময়েই দেখা গেছে। এবার জাতীয় লিগে দেখা গেল তার এমন উদযাপন। 

সামনেই আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে বাংলাদেশের টেস্ট সিরিজ। সব ঠিকঠাক থাকলে সেই সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচ দিয়ে বাংলাদেশের প্রথম ক্রিকেটার হিসেবে শততম টেস্টের অবিস্মরণীয় মাইলফলক তিনি স্পর্শ করবেন। টেস্টের লড়াইয়ের জন্য তার প্রস্তুতিটা দারুণ হলো এই সেঞ্চুরি দিয়ে। ৩৮ বছর বয়সী ব্যাটসম্যানের প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে এটি ১৯তম সেঞ্চুরি। এর ১২টি করেছেন তিনি টেস্ট ক্রিকেটে।

শেষ পর্যন্ত অভিজ্ঞ এই ব্যাটসম্যানের বিদায়েই শেষ হয় ইনিংস। ৮ চার ও ২ ছক্কায় ২০৫ বলে ১১৫ রানে বোল্ড হন তিনি তাইবুর রহমানের বাঁহাতি স্পিনে। তার বিদায়ে সিলেটের ইনিংস শেষ হয় ২৯০ রানে। ২০ রানের লিড পায় ঢাকা।

দ্বিতীয় ইনিংস খেলতে নেমে ঢাকা ২ উইকেটে ২২২ রান তুলে ইনিংস ঘোষণা করে। আগের ম্যাচে ৩ রানের জন্য সেঞ্চুরি মিস করা জিশান আলম এবার তিন অংক থেকে ৬ রান দূরে আউট হয়েছেন। নাবিল সামাদের বলে এলবিডাব্লিউ হওয়ার আগে ১৩টি বাউন্ডারি ও ছক্কা হাকান এই তরুণ। উইকেটকিপার আশিকুর রহমান শিবলি করেন অপরাজিত ১৯। 
সিলেট দ্বিতীয় ইনিংসে ১৩ রান করার পর ড্র মেনে নেয় ঢাকা ও সিলেট। দুদলেরই এটা টানা দ্বিতীয় ড্র। 

ড্র হয়েছে এই রাউন্ডের বাকি দুই ম্যাচও

ময়মনসিংহের ৫৫৫ রানের জবাবে রংপুর ১২৭ রানে গুটিয়ে গেলে রংপুর ফলোঅনে বাধ্য হয়। দ্বিতীয় ইনিংসে ২ উইকেটে ১১২ রান করে তারা।

কক্সবাজারের আরেক মাঠে বৃষ্টিবিঘ্নিত ম্যাচে চট্টগ্রামের ৩৫৮ রানের জবাবে বরিশাল ৪ উইকেএ ২৫৯ রান করে প্রথম ইনিংস ঘোষণা করে খেলার চতুর্থ দিন। মিডলঅর্ডার ব্যাটার সালমান হোসেন ইমন ২৪২ বলে ১২০ রান করে অপরাজিত থাকেন। প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে এটি তার দ্বিতীয় সেঞ্চুরি। 

৯৯ রানে এগিয়ে থাকা চট্টগ্রাম ৪ ওভারে ৩৫ রান তোলার পর বিস্ময়করভাবে ইনিংস ঘোষণা করে। এরপর বরিশাল দ্বিতীয় ইনিংস খেলতে নেমে ৯ ওভার ব্যাট করার পর (১৯ রান) দুদল ড্র মেনে নেয়। 

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত