এবার প্রতিপক্ষকে লাথি মেরে নিষিদ্ধ হলেন সুয়ারেজ     

আপডেট : ০৬ নভেম্বর ২০২৫, ১১:৪৪ এএম

মেজর লিগ সকার (এমএলএস) কাপ প্লে-অফের প্রথম রাউন্ড থেকেই দ্বিতীয়বারের মতো বিদায়ের শঙ্কায় থাকা ইন্টার মিয়ামি বড় ধাক্কা খেল। দলের আক্রমণভাগের অন্যতম সেরা খেলোয়াড় লুইস সুয়ারেজ পরবর্তী ম্যাচের জন্য নিষিদ্ধ হয়েছেন। ফলে লিওনেল মেসিদের এই গুরুত্বপূর্ণ নক-আউট ম্যাচে উরুগুয়ে তারকাকে ছাড়াই নামতে হবে।

ন্যাশভিলের বিপক্ষে দ্বিতীয় ম্যাচে সুয়ারেজের বিরুদ্ধে মারাত্মক অভিযোগ ওঠে। তিনি ম্যাচে ৭১ মিনিটে সুয়ারেজ ন্যাশভিল ডিফেন্ডার অ্যান্ডি নাজারকে উদ্দেশ্য করে এমনভাবে লাথি মারেন, যেটা দেখে মনে হয় তার উদ্দেশ্য ছিল নাজারকে আহত করা। তাই ম্যাচ-পরবর্তী ভিডিও পর্যালোচনা করে ‘ভায়োলেন্ট কনডাক্ট’ এর আওতায় সুয়ারেজকে সরাসরি এক ম্যাচ নিষিদ্ধ করা হয়।

একই ম্যাচে ডিফেন্ডার ইয়ান ফ্রে ডাইভিং করার অভিযোগে জরিমানা গুনতে হচ্ছে। তবে সুয়ারেজের নিষেধাজ্ঞাই ইন্টার মিয়ামির জন্য সবচেয়ে বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। এই মৌসুমে সুয়ারেজ ইন্টার মিয়ামির হয়ে সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে ১৪ গোল ও ১৫ অ্যাসিস্ট করেছেন। লিওনেল মেসির পর তিনিই ছিলেন দলের সবচেয়ে কার্যকর আক্রমণভাগের অস্ত্র।

মায়ামির জন্য পরবর্তী ম্যাচটি জিততেই হবে। আর হারলেই বিদায় নিতে হবে প্লে-অফ থেকে। এক বিবৃতিতে মায়ামি জানিয়েছে, ‘আমরা এমএলএস কমিটির সিদ্ধান্তকে সম্মান করি। তবে এমন সিদ্ধান্ত মাঠের রেফারি ও ভিএআর এর রায় পুনর্বিবেচনার একটি নতুন নজির সৃষ্টি করেছে, যা ভবিষ্যতে সব ম্যাচে সমানভাবে প্রয়োগ হবে বলে আমরা আশা করি।’

চলতি মৌসুমে এটি সুয়ারেজের দ্বিতীয়বার নিষিদ্ধ হওয়া। এর আগে লিগস কাপ চলাকালে সিয়াটল সাউন্ডার্সের কর্মীকে থুতু নিক্ষেপের ঘটনায় তিনি ৯ ম্যাচ নিষিদ্ধ হয়েছিলেন। ক্যারিয়ারে অন্তত তিনবার (২০১০, ২০১৩, ২০১৪ সালে) কামড়ানোর অভিযোগে দীর্ঘ মেয়াদে নিষেধাজ্ঞা পেয়েছেন । এছাড়া ২০১১ সালে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের ডিফেন্ডার প্যাট্রিস এভরার প্রতি বর্ণবাদী মন্তব্যের দায়ে শাস্তি পেয়েছিলেন সুয়ারেজ।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত