জাতীয় মানবাধিকার কমিশন অধ্যাদেশকে স্বাগত জানিয়েছে অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশন

আপডেট : ১০ নভেম্বর ২০২৫, ০৪:২২ পিএম

জাতীয় মানবাধিকার কমিশন অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশন ‘জাতীয় মানবাধিকার কমিশন অধ্যাদেশ, ২০২৫’-কে স্বাগত জানিয়েছে। 

সোমবার (১০ নভেম্বর) অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে জারি করা এক বিবৃতিতে এই অধ্যাদেশকে ‘সময়োপযোগী ও যুগান্তকারী পদক্ষেপ’ হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়।

অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি সুস্মিতা পাইক ও মহাসচিব মোহাম্মদ তৌহিদ খান স্বাক্ষরিত বিবৃতিতে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের রাষ্ট্র সংস্কার কার্যক্রমের ধারাবাহিকতায় এই অধ্যাদেশ প্রণয়নের জন্য সরকারকে ধন্যবাদ জানানো হয়।

নতুন এই অধ্যাদেশের মাধ্যমে মানবাধিকার কমিশনকে আরও শক্তিশালী ও কার্যকর ভূমিকা পালনের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে বলে বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়। বিশেষ করে রাষ্ট্রীয় বা সরকারি প্রতিষ্ঠান কর্তৃক মানবাধিকার লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে সরাসরি তদন্তের ক্ষমতা, যেকোনো স্থান পরিদর্শনের এখতিয়ার এবং ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তির অনুকূলে ক্ষতিপূরণ ধার্যের বিধানসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় এতে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে।

এছাড়া প্রতিটি বিভাগে কার্যালয় স্থাপনসহ পূর্ণাঙ্গ আর্থিক স্বাধীনতার বিধান কমিশনের কার্যক্রমকে আরও বিস্তৃত করবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়। অ্যাসোসিয়েশন দীর্ঘদিন ধরে সরকারি সুযোগ-সুবিধা বঞ্চিত কমিশনের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য এই অধ্যাদেশে সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করায় সরকারের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানায়।

বিবৃতিতে আগামী দিনগুলোতে মানবাধিকার সুরক্ষা ও উন্নয়নে পেশাদারিত্ব ও নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ চালিয়ে যাওয়ার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করা হয়।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত