রাজধানীর কামরাঙ্গীরচরে এক সাংবাদিকের বাসা থেকে ৪টি মোবাইল ফোন খোয়া গেছে। ধারণা করা হচ্ছে, ভাড়াটিয়া বেশে চোরচক্র ফোনগুলো নিয়ে গেছে। একই দিনে হুজুরপাড়া এলাকার একটি বাসা থেকে আরেকটি ফোন খোয়া যাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। পৃথক এসব ঘটনায় থানায় জিডি করা হয়েছে। এসব ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেছেন থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আমিরুল ইসলাম।
ভুক্তভোগী এস এম রিয়াদ আরেফিন জানান, তিনি সপরিবারে কামরাঙ্গীরচরের পূর্ব রসুলপুর ৯ নম্বর গলির ৫৩৬ নম্বর (সাবেক ১) নম্বর বাড়িতে থাকেন। বৃহস্পতিবার (২০ নভেম্বর) সকাল ৮টা থেকে সাড়ে ৯টার মধ্যে তার পরিবারের ব্যবহৃত ৩টি স্মার্ট ফোন ও ১টি বার্টন ফোন খোয়া যায়। ফোনগুলো রুমের ভেতর ড্রেসিং টেবিলে রাখা ছিল। এ ঘটনায় থানায় একটি জিডি করেছেন তিনি।
ভুক্তভোগীর বড় ভাই দৈনিক সবুজ বাংলার অপরাধ বিষয়ক জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক ও বাংলাদেশ ক্রাইম রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (ক্র্যাব) সাবেক অর্থ সম্পাদক এস এম দেলোয়ার হোসেন বলেন, ৩ বছর আগে আমার রুম থেকেও অপো ও স্যামসং ব্র্যান্ডের দুটি স্মার্ট ফোন চুরি হয়। বোরকা পরিহিত অপরিচিত দুই নারী ফ্ল্যাট ভাড়া নেওয়ার কথা বলে আমার রুমে ঢুকে ফোন দুটি নিয়ে পালিয়ে যায়। ওই ঘটনায় থানায় জিডি করলেও পুলিশ তা এখনও উদ্ধার করতে পারেনি।
এদিকে বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে কামরাঙ্গীরচরের ৫৬ নম্বর ওয়ার্ডের হুজুরপাড়ার সেলিম মিয়ার ভাড়া বাসা থেকে ভাড়াটিয়া জান্নাতুল ফেরদৌস জ্যোতির ব্যবহৃত স্মার্ট ফোন খোয়া গেছে। ভুক্তভোগী জান্নাতুল ফেরদৌস জ্যোতি বলেন, ঘটনার সময় তিনি ঘুমে ছিলেন। উঠে দেখি আমার ব্যবহৃত স্মার্ট ফোনটি নেই। পরে থানায় গিয়ে জিডি করেছি।
জানতে চাইলে জিডির তদন্ত কর্মকর্তা এএসআই মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, পৃথকভাবে স্মার্ট ফোন খোয়া যাওয়ার বিষয়ে থানায় পৃথক দুটি জিডি হয়েছে। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
এ বিষয়ে কামরাঙ্গীরচর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আমিরুল ইসলাম বলেন, ঘটনা শুনেছি, থানায় জিডি হয়েছে। খোয়া যাওয়া ফোন উদ্ধারে কাজ করছে পুলিশ।
