গৌহাটির বর্ষাপাড়া স্টেডিয়ামে দ্বিতীয় টেস্টে ভারতের সামনে পাহাড়সম লক্ষ্য রেখে ইনিংস ঘোষণা করেছে দক্ষিণ আফ্রিকা। চতুর্থ দিনের লাঞ্চের পর ৭৮.৩ ওভারে ৫ উইকেটে ২৬০ রান করে দ্বিতীয় ইনিংস ঘোষণা করে প্রোটিয়ারা। ফলে ভারতের সামনে জয়ের টার্গেট দাঁড়িয়েছে ৫৪৯ রান—যা শুধু এ সিরিজ নয়, টেস্ট ইতিহাসে এশিয়ায় রান তাড়ার দিক থেকে এক অদেখা চ্যালেঞ্জ।
চতুর্থ ইনিংসে সবচেয়ে বেশি রান তাড়া করে ভারত সফল হয়েছিল ১৯৭৬ পোর্ট অবস্পেন টেস্টে, টার্গেট ছিল ৪০৬। এশিয়াতে সবচে বেশি রান তাড়া করে জয়ের রেকর্ড ৩৯৫, ওয়েস্ট ইন্ডিজ বনাম বাংলাদেশ, চট্টগ্রাম ২০২১। আর ভারতে সবচেয়ে বড় সফল চেজ—৩৮৭, ভারত করেছিল চেন্নাইয়ে, ২০০৮-এ।
দেশের মাটিতে এ নিয়ে দ্বিতীয়বার পাচ শতাধিক রানের টার্গেট পেয়েছে ভারত। আগেরবার ২০০৪ নাগপুরে ৫৪৩ রান তাড়া করতে নেমে ভারত হেরেছিল ৩৪২ রানে—যা এখনো দেশের মাটিতে ভারতের সবচেয়ে বড় রান–ব্যবধানে হার। এছাড়া ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ৫৪৮ রান তাড়া করতে গিয়ে ৩৭৬ রানে গুটিয়ে গিয়েছিল ভারত ১৯৫৯ ম্যানচেস্টার টেস্টে। ২০০২ লর্ডস টেস্টে ৫৬৮ রান তাড়া করতে নেমে অলআউট হয়েছিল ৩৯৭ রানে।
চতুর্থ ইনিংসে ১০০ ওভারের বেশি ব্যাট করে টেস্ট বাঁচানোর ঘটনা ভারত শেষ করেছে ২০২১ সিডনিতে, যেখানে ১৩১ ওভার খেলে ম্যাচ ড্র করেছিল তারা। এবার প্রায় ১১০ ওভার ব্যাট করার সুযোগ পেয়েছে তারা।
সেই অসম্ভবের দিকে ছুটতে শুরু করে ২ উইকেটে ২৭ রান তুলে চতুর্থ দিন শেষ করেছে ভারত। আউট হয়ে গেছেন যশস্বী জয়সোয়াল ও লোকেশ রাহুল। ম্যাচ বাাঁচাতে শেষ দিনে ৮ উইকেট নিয়ে সারা দিন ব্যাট করতে হবে ভারতকে।
সংক্ষিপ্ত স্কোর
দক্ষিণ আফ্রিকা: ৪৮৯ ও ৭৮.৩ ওভারে ২৬০/৫ ডি. (স্টাবস ৯৪, ডি জর্জি ৪৯, মুল্ডার ৩৫*, রিকেলটন ৩৫; জাদেজা ৪/৬২)।
ভারত: ২০১ ও ১৫.৫ ওভারে ২৭/২ (জয়সোয়াল ১৩; হারমার ১/১, ইয়ানসেন ১/১৪)।
