যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী ওয়াশিংটন ডিসিতে হোয়াইট হাউসের কাছে ন্যাশনাল গার্ডের দুই সদস্যের ওপর সশস্ত্র হামলার ঘটনা ঘটেছে। গতকাল বুধবার (২৬ নভেম্বর) স্থানীয় সময় দুপুর ২টা ১৫ মিনিটে ঘটে যাওয়া এই ঘটনায় দুই সদস্যই গুরুতর আহত হন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন এফবিআই পরিচালক কাশ প্যাটেল।
বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়, এক ব্যক্তি হঠাৎ মোড় ঘুরে এসে আগ্নেয়াস্ত্র তুলে গার্ড সদস্যদের দিকে গুলি ছোড়ে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী জানায়, হামলাকারী ওই আফগান নাগরিকের নাম রহমানউল্লাহ লাখানওয়াল। তিনি ২০২১ সালে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করেন। ঘটনাস্থলেই তিনিও গুলিবিদ্ধ হন এবং পরে তাকে হাসপাতাল নেওয়া হয়। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, হামলাকারীর অবস্থা গুরুতর।
ঘটনার পর প্রথমে ওয়েস্ট ভার্জিনিয়ার গভর্নর প্যাট্রিক মরিসি দুই গার্ড সদস্যের মৃত্যু হয়েছে বলে জানান। তবে পরে তিনি বলেন, তাদের অবস্থা নিয়ে তিনি ‘ভিন্ন তথ্য’ পাচ্ছেন।
মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ জানান, হামলার পর প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ওয়াশিংটনে অতিরিক্ত ৫০০ ন্যাশনাল গার্ড সদস্য মোতায়েনের নির্দেশ দিয়েছেন।
এই হামলাকে ন্যাশনাল গার্ডকে লক্ষ্য করে সবচেয়ে গুরুতর হামলা হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। ট্রাম্প ক্ষমতায় দ্বিতীয় মেয়াদের শুরু থেকেই বিভিন্ন ডেমোক্র্যাটশাসিত শহরে অতিরিক্ত সৈন্য মোতায়েনের নির্দেশ দিয়ে আসছেন।
ফ্লোরিডার গলফ ক্লাব থেকে ঘটনাটি নিয়ে প্রতিক্রিয়া জানিয়ে ট্রাম্প হামলাকারীকে কঠোর ভাষায় সমালোচনা করেন এবং আহত দুই সদস্যের অবস্থা ‘অত্যন্ত সংকটজনক’ বলে উল্লেখ করেন। তিনি ন্যাশনাল গার্ডের ভূমিকার প্রশংসা করে বলেন—দোষী ব্যক্তি কঠোর শাস্তির মুখোমুখি হবে। নিজের ট্রুথ সোশ্যাল অ্যাকাউন্টেও তিনি লিখেছেন, হামলাকারী গুরুতর আহত হলেও “এই ঘটনার চড়া মূল্য তাকে দিতে হবে।”
ওয়াশিংটন ডিসির মেয়র মুরিয়েল বাউজার বলেন, এটি ছিল পরিকল্পিত লক্ষ্যভিত্তিক হামলা। গার্ড সদস্যদের লক্ষ্য করেই গুলি চালানো হয়, এবং হামলাকারী এখন পুলিশের হেফাজতে রয়েছে।
হংকংয়ের বহুতল আবাসিকে অগ্নিকাণ্ডে নিহত বেড়ে ৪৪
বাড়ছে শীতের দাপট, ১৩ ডিগ্রিতে নামল পঞ্চগড়ের তাপমাত্রা