রাজধানী ঢাকার মোহাম্মদপুরে ছুরিকাঘাতে নিহত মা লায়লা আফরোজ ও তার মেয়ে নাফিসা লাওয়াল বিনতে আজিজের (১৫) জানাজা শেষে নাটোরের এন এস সরকারি কলেজ মাঠে মঙ্গলবার বাদ যোহর জানাযা নামাজ শেষে শহরের গাড়ীখানা গোরস্থানে দাফন করা হয়েছে।
সোমবার (৮ ডিসেম্বর) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে বাসা গিয়ে মা লায়লা আফরোজ ও মেয়ে নাফিসার মরদেহ উদ্ধার করে লাশ দুটি ময়নাতদন্তের জন্য সোহরাওয়ার্দী মেডিকেলে পাঠায় পুলিশ। ময়নাতদন্ত শেষে মঙ্গলবার (৯ ডিসেম্বর) ভোর ৫টায় লাশবাহী ফ্রিজিং ভ্যানে করে নাটোর পৌরসভার দক্ষিণ বড়গাছা নিজ বাসভবনে আনা হয়।
নিহত লায়লা আফরোজের ছোট ভাই ফরহাদ হোসেন বলেন, মোহাম্মদপুরে বড় বোনের সঙ্গে তার যোগাযোগ ছিলো সবচেয়ে বেশি। রবিবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে ভিডিও কল করে লায়লা জানান, তার বাসার চাবি খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। চাবি হারানোর ঘটনায় তাকে বেশ উদ্বিগ্ন মনে হচ্ছিল। নতুন কাজের মেয়ে বাসায় কাজ শুরুর পর চাবি হারানো স্বাভাবিক ভাবে নেননি তিনি। দু এক মিনিটের এ কথোপকথনই আমাদের শেষ কথা ছিল। নৃশংস হত্যাকাণ্ডের বিচার চান তিনি।
নিহত লায়লা আফরোজ ছিলেন গৃহিণী, আর মেয়ে নাফিসা বিনতে আজিজ মোহাম্মদপুরের প্রিপারেটরি স্কুলের নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী। নাফিসার বাবা এম জেড আজিজুল ইসলাম উত্তরায় সানবীমস স্কুলের পদার্থবিজ্ঞানের শিক্ষক। স্বামীর চাকরি ও মেয়ের স্কুলের সুবাদে তারা মোহাম্মদপুরের শাহজাহান রোডের ৩২/২/এ নম্বর বাসার সাত তলায় থাকতেন।
উল্লেখ্য, সোমবার (৮ ডিসেম্বর) রাজধানীর মোহাম্মদপুরের শাহজাহান রোডে বোরকা পরে বাসায় ঢুকে মা-মেয়েকে হত্যার পর স্কুল ড্রেস ও মাস্ক পরে বেরিয়ে যায় গৃহকর্মী।
মেঘনা-গোমতী সেতুর নিচ থেকে বোমা সদৃশ বস্তু উদ্ধার