দেশীয় শোবিজের বহুমাত্রিক প্রতিভা আমজাদ হোসেনের সপ্তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ। ২০১৮ সালের এই দিনে না ফেরার দেশে পাড়ি জমান এই চলচ্চিত্র নির্মাতা, গীতিকার, চিত্রনাট্যকার, অভিনয়শিল্পী ও লেখক। তবে ১৪বার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত এই ব্যক্তিত্বর প্রয়াণ দিবস নিয়ে কোনো আয়োজন নেই। চলচ্চিত্রের সংগঠনগুলোও নিরব।
১৯৭৮ সালে ‘গোলাপী এখন ট্রেনে’ এবং ১৯৮৪ সালে ‘ভাত দে’ চলচ্চিত্র নির্মাণের জন্য জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পান এই গুণী পরিচালক। এ ছাড়া আরও ১৪ বার জাতীয়ভাবে স্বীকৃতি পেয়েছেন।
সাহিত্য রচনার জন্য এই নির্মাতা ১৯৯৩ ও ১৯৯৪ সালে দুবার অগ্রণী শিশুসাহিত্য পুরস্কার এবং ২০০৪ সালে বাংলা একাডেমি পুরস্কার অর্জন করেন। তার জনপ্রিয় ছবিগুলোর মধ্যে আরও রয়েছে ‘বাল্যবন্ধু’, ‘পিতাপুত্র’, ‘এই নিয়ে পৃথিবী’, ‘বাংলার মুখ’, ‘নয়নমণি’, ‘সুন্দরী’, ‘কসাই’, ‘জন্ম থেকে জ্বলছি’, ‘দুই পয়সার আলতা’, ‘সখিনার যুদ্ধ’, ‘হীরামতি’, ‘প্রাণের মানুষ’, ‘সুন্দরী বধূ’, ‘কাল সকালে’, ‘গোলাপী এখন ঢাকায়’, ‘গোলাপী এখন বিলেতে’ ইত্যাদি।
১৯৪২ সালের ১৪ আগস্ট জামালপুরে জন্মগ্রহণ করেন আমজাদ হোসেন। পঞ্চাশের দশকে ঢাকায় এসে সাহিত্য ও নাট্যচর্চার সঙ্গে জড়িত হন। বিনোদন অঙ্গনে কাজের শুরুটা ছিল মহিউদ্দিন পরিচালিত ‘তোমার আমার’ চলচ্চিত্রে অভিনয়ের মধ্য দিয়ে। এরপর তিনি অভিনয় করেন মুস্তাফিজ পরিচালিত ‘হারানো দিন’ ছবিতে।
গীতিকার আমজাদ হোসেনের জনপ্রিয়তাও আকাশচুম্বী। তার লেখা গানের মধ্যে ‘জন্ম থেকে জ্বলছি মাগো’, ‘আমি আছি থাকব ভালোবেসে মরব’, ‘হায়রে কপাল মন্দ চোখ থাকিতে অন্ধ’, ‘কেউ কোনো দিন আমারে তো কথা দিল না’, ‘চুল ধইরো না খোঁপা খুলে যাবে গো’, ‘একবার যদি কেউ ভালোবাসত’, ‘বাবা বলে গেল আর কোনো দিন গান কোরো না’, ‘এমন তো প্রেম হয়’ উল্লেখযোগ্য।
নতুন দামে রূপা বিক্রি শুরু আজ
কারাভোগ শেষে বেনাপোল দিয়ে দেশে ফিরলেন মা-ছেলে
আবিষ্কার লিখতে না পারায় ৪র্থ শ্রেণির শিক্ষার্থীকে পেটালেন প্রধানশিক্ষক
শহীদ বুদ্ধিজীবীদের প্রতি শ্রদ্ধা জানালেন সাকিব