বাংলাদেশের ক্রিকেটে সাবেক অধিনায়ক খালেদ মাহমুদ সুজনের অবদান অস্বীকার করার কোনো সুযোগই নেই। ক্রিকেটার তৈরির অন্যতম কারিগর তিনি। তবে কোচ হিসেবে গত কয়েক বছরে মোটেও সফল নন। পরিসংখ্যান বলছে, বিপিএলের মতো ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেটে ব্যর্থতার বৃত্তে ঘুরপাক খাচ্ছেন। চলতি আসরে তার অধীনে নোয়াখালী এক্সপ্রেস টানা হেরে চলছে। গত দুটি আসরেও দেখা গেছে একই চিত্র।
২০২৩-২৪ বিপিএলে দুর্দান্ত ঢাকার প্রধান কোচ ছিলেন সুজন। সেবার জয় দিয়ে আসর শুরু করলেও পরের ১১ ম্যাচে টানা হারে দলটি। গত আসরে ঢাকা ক্যাপিটালসের প্রধান কোচের দায়িত্ব নেন সুজন। ক্যাপিটালস সেই আসরের প্রথম ৬ ম্যাচে টানা হারে। সবমিলিয়ে বিপিএলে টানা ১৭ ম্যাচে জয়হীন ছিলেন কোচ সুজন, যা বিপিএলে কোনো কোচের টানা হারের রেকর্ড! অবশ্য গত আসরে পরাজয়ের বৃত্ত ভেঙে শেষ পর্যন্ত ৩ ম্যাচ জিতেছিল ঢাকা।
চলতি বিপিএলের আগে সুজনের সঙ্গে চুক্তি করেনি চিত্রনায়ক শাকিব খানের মালিকানাধীন ঢাকা ক্যাপিটালস। ফলে নতুন দল নোয়াখালী এক্সপ্রেসের দায়িত্ব নেন সুজন। দল বদলালেও বিপিএলে কোচ সুজনের পারফরম্যান্স বদলায়নি। তার কোচিংয়ে নোয়াখালী এখনও পর্যন্ত ৩ ম্যাচ খেলে সবকটিতেই হেরেছে। ফলে দলের পারফরম্যান্সের পাশাপাশি কোচ সুজনের পারফরম্যান্সও কাঠগড়ায় তুলছেন সমর্থকেরা। তার খেলোয়াড় বাছাই নিয়েও তুমুল সমালোচনা হচ্ছে।
অথচ, এই সুজনই ২০১৬ সালে প্রধান কোচ হিসেবে বিপিএল শিরোপা জিতেছিলেন। সেটাই তার একমাত্র বিপিএল শিরোপা। সর্বশেষ তিন আসরে সুজন কোচিং করিয়েছেন যথাক্রমে দুর্দান্ত ঢাকা, ঢাকা ক্যাপিটালস ও নোয়াখালী এক্সপ্রেসে। এই তিন দলের সর্বশেষ ২৬ ম্যাচে ৩ জয়ের বিপরীতে হার ২৩টি। খেলোয়াড়ী জীবনে জাতীয় দলের ‘ফাইটার’ বা লড়াকু হিসেবে পরিচিত ছিলেন সুজন। কোচিং ক্যারিয়ারেও কি ‘লড়াকু’ সুজন ঘুরে দাঁড়াতে পারবেন?
মেনিনজাইটিসে আক্রান্ত হয়ে কৃত্রিম কোমায় বিশ্বকাপজয়ী ডেমিয়েন মার্টিন
ভারতীয় ক্রিকেটারকে দেওয়া ব্র্যাডম্যানের ব্যাগি গ্রিন নিলামে উঠছে