সিডনিতে শুরু হয়েছে অ্যাশেজের পঞ্চম তথা শেষ টেস্ট। এই ম্যাচের আগে সিডনির ঐতিহ্যবাহী এসসিজিতে ১৩৮ বছরের মধ্যে প্রথমবারের মতো কোনো বিশেষজ্ঞ স্পিনার ছাড়াই একাদশ ঘোষণা করেছে স্বাগতিক অস্ট্রেলিয়া। একই সঙ্গে এই ম্যাচে অ্যাশেজ অভিষেক হতে যাচ্ছে ম্যাথিউ পটস এবং বো ওয়েবস্টারের।
রবিবার টসের সময় অস্ট্রেলিয়ান অধিনায়ক স্টিভ স্মিথ নিশ্চিত করেন, স্পিনার টড মারফিকে বাইরে রেখে দুই অল-রাউন্ডার বো ওয়েবস্টার ও ক্যামেরন গ্রিনকে দলে নেওয়া হয়েছে। এর ফলে ১৮৮৮ সালের পর এই প্রথম এসসিজিতে অস্ট্রেলিয়া কোনো ফ্রন্টলাইন স্পিনার ছাড়াই টেস্ট খেলতে নামছে। এর আগে কোচ অ্যান্ড্রু ম্যাকডোনাল্ড ইঙ্গিত দিয়েছিলেন, সিরিজের শেষ টেস্টে টড মারফি খেলবেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত পিচ ও কন্ডিশনের কথা মাথায় রেখেই ভিন্ন পথে হাঁটল টিম ম্যানেজমেন্ট।
ঝাই রিচার্ডসনের জায়গায় একাদশে ঢুকেছেন বো ওয়েবস্টার। পাঁচ বছর পর মেলবোর্নে টেস্ট দলে ফিরে খেললেও সিডনি টেস্টে জায়গা হয়নি রিচার্ডসনের। তাসমানিয়ার অল-রাউন্ডার ওয়েবস্টার এর আগে ৭টি টেস্ট খেললেও এটি তার প্রথম অ্যাশেজ ম্যাচ। তিনি পেস ও স্পিন—দুই ধরনের বোলিংই করতে পারেন, প্রয়োজনে সিডনিতে স্পিন দায়িত্বও পালন করতে হতে পারে তাকে।
স্টিভ স্মিথ জানান, বিশেষজ্ঞ স্পিনার বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্ত মোটেও সহজ ছিল না, ‘পুরনো দিনের এসসিজিকে আমি ভালোবাসি—প্রথম দুই দিন ব্যাটিং সহায়ক, এরপর ফুটমার্ক, ফাটল, রিভার্স সুইং, শেষদিকে স্পিন—সব মিলিয়ে কঠিন উইকেট। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে এখানে বেশি ঘাস থাকছে, উইকেটও ততটা স্পিন সহায়ক হচ্ছে না। নাথান লায়নের জন্যও এটি অস্ট্রেলিয়ার সবচেয়ে কঠিন মাঠগুলোর একটি—এই কারণেই এসব আলোচনা হচ্ছে।’
ফর্ম নিয়ে সমালোচনার মুখে থাকা ক্যামেরন গ্রিনের পক্ষেও জোরালো অবস্থান নেন স্মিথ, ‘আমরা এমন পিচে খেলেছি, যেখানে ব্যাটিং সহজ ছিল না। দুটি ম্যাচ তো দুই দিনেই শেষ হয়ে গেছে। ইনিংস শুরু করাটাই সবচেয়ে কঠিন কাজ, আর গ্রিন সেটা ভালোভাবেই করছে। কিন্তু শুরু ভালো হলেও বড় ইনিংস খেলতে পারছে না—এটাই হতাশার জায়গা। বিভিন্ন ব্যাটিং পজিশনে খেলাও তার জন্য সহজ নয়।’
ইংল্যান্ডের দলে ম্যাথিউ পটস খেলছেন তার ক্যারিয়ারের ১১তম টেস্ট, তবে অ্যাশেজে এটি তার প্রথম ম্যাচ। চোটের কারণে গাস অ্যাটকিনসন, জোফরা আর্চার ও মার্ক উড ছিটকে যাওয়ায় কার্যত শেষ ভরসা হয়েই দলে জায়গা পেয়েছেন এই পেসার। টস জিতে ইংল্যান্ড অধিনায়ক বেন স্টোকস প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেন। ৪৫ ওভারে ৩ উইকেটে ২১১ রান তোলার পর আলোকস্বল্পতায় খেলা বন্ধ হয়ে যায়।
ইংল্যান্ড: জ্যাক ক্রলি, বেন ডাকেট, জ্যাকব বেথেল, জো রুট, হ্যারি ব্রুক, বেন স্টোকস (অধিনায়ক), জেমি স্মিথ (উইকেটরক্ষক), উইল জ্যাকস, ব্রাইডন কার্স, ম্যাথু পটস, জশ টং।
অস্ট্রেলিয়া: জ্যাক ওয়েদারল্ড, ট্র্যাভিস হেড, মার্নাস লাবুশেন, স্টিভেন স্মিথ (অধিনায়ক), উসমান খাজা, অ্যালেক্স ক্যারি (উইকেটরক্ষক), ক্যামেরন গ্রিন, বিউ ওয়েবস্টার, মাইকেল নেসার, মিচেল স্টার্ক, স্কট বোল্যান্ড।
রাইসের জোড়া গোলে দারুণ জয়ে বছর শুরু আর্সেনালের
শেষ মুহূর্তের জোড়া গোলে বার্সেলোনার ডার্বি জয়
মোস্তাফিজ পারলেন না; বাংলাদেশ কি পারবে ভারতে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলতে?