ঢাকা-১৪ আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ও ‘মায়ের ডাক’ সংগঠনের সমন্বয়ক সানজিদা ইসলাম তুলির হলফনামায় তাঁর ও তাঁর স্বামীর বিপুল সম্পদের তথ্য উঠে এসেছে। নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া হলফনামা অনুযায়ী, তুলির কাছে নগদ অর্থ আছে ৮৩ লাখ টাকার বেশি আর তাঁর চাকরিজীবি স্বামীর হাতে নগদ অর্থের পরিমাণ ১ কোটি ৫০ লাখ টাকারও বেশি।
হলফনামার তথ্যমতে, তুলির অস্থাবর সম্পদের বাজারমূল্য প্রায় ২ কোটি টাকা, অন্যদিকে তাঁর স্বামীর অস্থাবর সম্পদের মূল্য ৩ কোটি টাকার বেশি। ৪২ বছর বয়সী তুলি তাঁর হলফনামায় বার্ষিক আয়ের উৎস হিসেবে সঞ্চয়পত্রের কথা উল্লেখ করে জানিয়েছেন, তাঁর বার্ষিক আয় প্রায় ৬ লাখ টাকা। তাঁর স্বামীর চাকরি থেকে বার্ষিক আয় প্রায় ৮৩ লাখ টাকা।
তুলির শিক্ষাগত যোগ্যতা বিএসসি (টেক্সটাইল)। তিনি আগে বেসরকারি চাকরি করলেও বর্তমানে গৃহিণী। হলফনামায় তিনি জানিয়েছেন, তাঁর নামে একটি মামলা তদন্তাধীন রয়েছে।
অস্থাবর সম্পদের বিস্তারিত বিবরণে তুলি উল্লেখ করেছেন, তাঁর হাতে নগদ অর্থ ৮৩ লাখ ৩১ হাজার টাকা। এছাড়া ব্যাংক একাউন্টে ২০ লাখ টাকা, সঞ্চয়পত্রে ৩৯ লাখ ৫০ হাজার টাকা, জীবন বিমায় ৫ লাখ ৩৮ হাজার টাকা রয়েছে। তাঁর মালিকানায় একটি গাড়ি আছে, যার দাম ধরা হয়েছে ১৫ লাখ ৫০ হাজার টাকা। ইলেকট্রনিক ও আসবাবপত্র দেখানো হয়েছে ৪ লাখ টাকার। এছাড়া তিনি ১০ ভরি সোনার মালিক। সব মিলিয়ে তাঁর অস্থাবর সম্পদের আনুমানিক বাজারমূল্য ১ কোটি ৮৮ লাখ টাকা।
তুলির স্বামীর হলফনামায় নগদ অর্থের পরিমাণ দেখানো হয়েছে ১ কোটি ৫৮ লাখ টাকা। সঞ্চয়পত্র, স্থায়ী আমানত ও ডিপিএস মিলিয়ে তাঁর আরও ৫০ লাখ টাকার সম্পদ রয়েছে। তিনিও ১০ ভরি সোনার মালিক। তাঁর অস্থাবর সম্পদের বাজারমূল্য ধরা হয়েছে ৩ কোটি টাকার কিছু বেশি।
দায়ের ক্ষেত্রে তুলি নিজের নামে ক্রেডিট কার্ডে প্রায় ৬ লাখ টাকা দায়ের কথা উল্লেখ করেছেন।
