ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে আটক করে দেশটি থেকে যুক্তরাষ্ট্রে নিয়ে আসার অভিযানে কতজন মার্কিন সেনা অংশ নিয়েছিলেন—এ নিয়ে এতদিন আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানায়নি ওয়াশিংটন। তবে এবার বিষয়টি প্রকাশ্যে এসেছে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা সচিব পিট হেগসেথ জানিয়েছেন, রাজধানী কারাকাসে চালানো ওই গোপন অভিযানে প্রায় ২০০ মার্কিন সেনা মোতায়েন ছিল।
সোমবার (৫ জানুয়ারি) এ তথ্য জানান হেগসেথ। মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন লাইভ আপডেটে তাঁর বক্তব্য তুলে ধরে। এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তারা শুধু এটুকুই জানিয়েছিলেন, অভিযানে মার্কিন সেনাবাহিনীর এলিট ডেল্টা ফোর্সের সদস্যদের পাশাপাশি এফবিআইয়ের একটি বিশেষ ইউনিট অংশ নেয়।
ভার্জিনিয়ার একটি জাহাজ নির্মাণ কারখানায় কর্মরত নাবিক ও নৌসেনাদের উদ্দেশে দেওয়া বক্তব্যে প্রতিরক্ষা সচিব বলেন, কয়েক রাত আগে যুক্তরাষ্ট্রের সেরা প্রায় ২০০ সেনা কারাকাসের কেন্দ্রস্থলে প্রবেশ করেন। তাঁর দাবি অনুযায়ী, অভিযানের সময় কোনো বড় ধরনের প্রতিরোধের মুখে পড়তে হয়নি এবং পুরো অভিযানে একজন মার্কিন সেনাও হতাহত হননি। অভিযানের লক্ষ্যবস্তু ছিলেন এমন একজন ব্যক্তি, যিনি যুক্তরাষ্ট্রের আইনে অভিযুক্ত এবং বিভিন্ন সংস্থার নজরদারি তালিকায় ছিলেন।
একই দিন আরেকটি অনুষ্ঠানে হেগসেথ অভিযানের কৌশলগত দিক তুলে ধরে বলেন, ডেল্টা ফোর্সের সদস্যরা আধুনিক সরঞ্জাম ও নাইট-ভিশন প্রযুক্তি ব্যবহার করে অত্যন্ত দ্রুত ও গোপনে অভিযানটি সম্পন্ন করেন।
এরপর মার্কিন নৌবাহিনীর নতুন এয়ারক্রাফট ক্যারিয়ার পিসিইউ জন এফ. কেনেডিতে নাবিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় তিনি জানান, অভিযান শুরু হওয়ার কয়েক মিনিট আগেও ভেনেজুয়েলার পক্ষ থেকে বিষয়টি আঁচ করা হয়নি। পরিস্থিতির আকস্মিকতায় প্রেসিডেন্ট মাদুরোর পরিবারের সদস্যদের মধ্যেও বিভ্রান্তি দেখা যায় বলে তিনি ইঙ্গিত দেন।
এই তথ্য প্রকাশের পর আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ভেনেজুয়েলায় যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক তৎপরতা ও এর কূটনৈতিক প্রভাব নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।
জকসু নির্বাচনে ভোটের লড়াই শুরু
বিরাজমান শৈত্যপ্রবাহের সম্ভাবনা আজও