বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা ও শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৯০তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে তাঁর সমাধিতে শ্রদ্ধা জানিয়েছে ইউনিভার্সিটি টিচার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ইউট্যাব)। আজ সোমবার (১৮ জানুয়ারি) সকাল ৯টায় রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের মাজারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন তারা।
শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে ইউট্যাবের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. এবিএম ওবায়দুল ইসলাম বলেন, ‘আজ শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৯০তম জন্মবার্ষিকী। স্বাধীনতার ঘোষক ও বাংলাদেশের স্থপতি হিসেবে তিনি আমাদের জন্য চিরস্মরণীয়। আমরা তাঁর মাজারে এসে শ্রদ্ধা জানিয়েছি। প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান কেবল একজন নেতা নন, তিনি স্বাধীনতা ঘোষণা করে বাংলাদেশকে আন্তর্জাতিক মানচিত্রে একটি গৌরবময় অবস্থানে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। দেশের উন্নয়নের প্রায় সব সূচনাই তাঁর হাত ধরেই সম্ভব হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, ‘যতদিন তিনি দেশের দায়িত্বে ছিলেন, বাংলাদেশের রাজনীতিতে উন্নয়নের ধারা অব্যাহত ছিল। একজন সৎ ও দেশপ্রেমিক রাষ্ট্রনায়ক হিসেবে তাঁর মতো নেতা বাংলাদেশে খুবই বিরল। এমন একজন নেতা আমাদের দেশের জন্য আজও অভাবনীয়।’
ইউট্যাবের মহাসচিব মোর্শেদ হাসান খান বলেন, আজ আমরা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানকে স্মরণ করছি। তিনি আধুনিক বাংলাদেশের রূপকার হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন এবং অল্প সময়ের মধ্যেই সুশাসন নিশ্চিত করেছেন। আইন সবার জন্য—এই নীতির আলোকে তিনি দেশ পরিচালনা করেছেন। শ্রম রপ্তানি এবং গার্মেন্টস শিল্পের সূচনা তাঁর নেতৃত্বেই সম্ভব হয়েছে। দেশের উন্নয়নের প্রতিটি ক্ষেত্রে তাঁর অবদান স্পষ্ট।
তিনি আরও বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান যদি জন্মগ্রহণ না করতেন, তাহলে বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠা এত সহজে সম্ভব হতো না। স্বাধীনতার সময় তিনি সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেছিলেন এবং বীর উত্তম খেতাব লাভ করেন। অল্প সময়েই তিনি দেশকে উন্নত অবস্থানে নিয়ে গিয়েছিলেন এবং তাঁর শাসনামলে বাংলাদেশ খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ হয়েছিল। পরবর্তীকালে আর সেই স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন সম্ভব হয়নি। তিনি ছিলেন প্রকৃত দেশপ্রেমিক; কখনো কোনো দেশের কাছে মাথা নত করেননি। তাঁর দেশপ্রেম এবং নেতৃত্বের প্রমাণ তিনি শেষ পর্যন্ত নিজের জীবন দিয়ে দেখিয়েছেন। আমরা তাঁর আত্মার মাগফিরাত কামনা করি এবং দোয়া করছি, আল্লাহ তাকে বেহেশত নসিব করুন।
শ্রদ্ধা নিবেদন অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন—ড. মো. কামরুল আহসান, অধ্যাপক ড. মো. আব্দুর রশীদ, অধ্যাপক ড. মাসুমা হাবিব, অধ্যাপক ড. শামসুল আলম সেলিম, অধ্যাপক ড. মো. নুরুল ইসলাম, অধ্যাপক ড. মো. ছবিরুল ইসলাম হাওলাদার, অধ্যাপক ড. মো. শহীদুল ইসলাম, অধ্যাপক ড. মো. মতিনুর রহমান, অধ্যাপক ড. মো. তোজাম্মেল হোসেন, অধ্যাপক ড. আসলাম হোসেন, অধ্যাপক ড. আবু জাফর খান, অধ্যাপক ড. ইলিয়াস আল মামুন, অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল করিম, অধ্যাপক ড. মো. আলী জিন্নাহ, অধ্যাপক ড. এ এইচ এম শামীম, অধ্যাপক ড. মো. আতাউর রহমান, অধ্যাপক দেবাশীষ পাল, খান মো. মনোয়ারুল ইসলাম, মোহাম্মদ শের মাহমুদ, তাহমিনা আখতার টফি, ড. মো. জাফরুল আজম, ড. মো. জাহাঙ্গীর হোসেন, ড. মো. খালেদউজ্জামান, ড. জিএম শফিউর রহমান, ড. মো. কুদরত-ই-জাহান, ড. মোহা. হাছানাত আলী, মো. মিনহাজুল আবেদীন, ড. মো. রবিউল ইসলাম, ড. এস. এম. হেমায়েত জাহান, ড. মো. মামুন অর রশিদ, ড. এবিএম সাইফুল ইসলাম, ড. মোহাম্মদ আতিকুর রহমান, ড. মোহাম্মদ আব্দুল মালেক, ড. মেহেদী হাসান সিকদার, ড. নেছার উদ্দিন আহমেদ, ড. মো. নুরুল আমিন, ড. মো. আব্দুল লতিফ, ড. মোহাম্মদ জামশেদ আলম, ড. এফ এম আমিনুজ্জামান, ড. কাজী আহসান হাবীব, ড. মো. আব্দুল্লাহেল বাকী, ড. মো. রাশেদুল ইসলাম, ড. নূর মহল আখতার বানু, ড. মো. জাহাঙ্গীর আলম, ড. মো. মাহবুবুল আলম, ড. রঞ্জন রায়, ড. মো. ইদ্রিস আলী, ড. মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম, ড. মো. খায়রুল ইসলাম, ড. আবুল হাসনাত মোহা. শামীম, ড. শিরীন সুলতানা, মো. তানভীর আহসান, ড. মোহাম্মদ ইকবাল, ড. সালমা আখতার, নাছির আহমেদ, মো. শওকত আলী, মোস্তাফিজুর রহমান, নওশের ওয়ান এবং ড. আমির হোসেন প্রমুখ।
ট্রাম্পের বক্তব্য প্রত্যাখ্যান করল ইউরোপের ৮ দেশ
ঢাকায় হালকা শীতের পূর্বাভাস