সংসদ ভেঙে দিয়েছেন জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি। আগামী ৮ ফেব্রুয়ারি দেশটিতে নির্বাচন আয়োজন করা হবে। শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) সংসদের স্পীকার আনুষ্ঠানিকভাবে নিম্নকক্ষের ৪৬৫ সদস্যের পদভঙ্গের চিঠি পাঠ করেন, আইনপ্রণেতারা ঐতিহ্যবাহী 'বানজাই' ধ্বনি দেন। এবার ১২ দিনব্যাপী নির্বাচনী প্রচারণার মাধ্যমে ভোটের প্রস্তুতি শুরু হবে।
জাপানের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী তাকাইচি কেবল তিন মাস আগে দায়িত্ব নিয়েছেন, কিন্তু তিনি প্রায় ৭০ শতাংশ অনুমোদন রেটিং নিয়ে জনপ্রিয়। তিনি নিজের জনপ্রিয়তা কাজে লাগিয়ে শাসক লিবারাল ডেমোক্র্যাটিক পার্টি (এলডিপি) এবং জাপান ইনোভেশন পার্টি (জেআইপি) কোয়ালিশনের জন্য সমর্থন বাড়াতে চাইছেন। বিশ্লেষকরা বলছেন,তাকাইচির ব্যক্তিগত জনপ্রিয়তা এলডিপির ভোটে কতটা রূপান্তরিত হবে তা নিশ্চিত নয়। প্রধান নির্বাচনী ইস্যুতে রয়েছে মূল্যস্ফীতি মোকাবেলা ও চীনের সঙ্গে নিরাপত্তা উত্তেজনা।
নভেম্বর মাসে চীনের সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে তাকাইচির করা মন্তব্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছিল, যেখানে তিনি বলেছিলেন চীন তাইওয়ানের ওপর সামরিক পদক্ষেপ নিলে জাপান হস্তক্ষেপ করতে পারে। জাপান এখন বাড়তি জীবনযাত্রার খরচ ও দুর্বল ইয়েনের চাপে পড়েছে, যার ফলে আমদানিপণ্যের দাম বেড়েছে।
