নির্বাচনকে কেন্দ্র করে গোপালগঞ্জে যৌথ বাহিনীর বাড়তি সতর্কতা

আপডেট : ২৪ জানুয়ারি ২০২৬, ০৫:০০ পিএম

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে গোপালগঞ্জ জেলায় শান্তিপূর্ণ পরিবেশ ও সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতা জোরদার করা হয়েছে। বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে জেলা প্রশাসন ও বাংলাদেশ পুলিশের সমন্বয়ে গ্রহণ করা হয়েছে সুসংগঠিত ও কার্যকর নিরাপত্তা পরিকল্পনা।

নির্বাচনী প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করতে পারে-এমন যেকোনো সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড, নাশকতা বা সহিংসতার বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণে যৌথ বাহিনী সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। জেলার গুরুত্বপূর্ণ ও ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে সেনাবাহিনীর পরিকল্পিত ও পেশাদার কম্বিং অপারেশন অব্যাহত রয়েছে। পাশাপাশি সেনাবাহিনী ও পুলিশের নিয়মিত টহল কার্যক্রম বাড়ানো হয়েছে, যা সাধারণ মানুষের মাঝে নিরাপত্তা ও স্বস্তির অনুভূতি সৃষ্টি করেছে।

নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে আরও কার্যকর করতে সেনাবাহিনীর সক্রিয় সহযোগিতায় জেলার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হচ্ছে। একই সঙ্গে প্রধান সড়ক ও প্রবেশপথে চেকপোস্ট বসিয়ে যানবাহন ও সন্দেহভাজন ব্যক্তিদের নিবিড়ভাবে তল্লাশি চালানো হচ্ছে। জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, নির্বাচনী পরিবেশ নষ্টের যেকোনো অপচেষ্টা কঠোর হাতে দমন করা হবে।

কর্তৃপক্ষ আরও জানায়, সাধারণ জনগণ যেন নির্বিঘ্নে ও নির্ভয়ে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারে। সে লক্ষ্যেই যৌথ বাহিনী পেশাদারিত্ব, নিরপেক্ষতা ও সর্বোচ্চ সতর্কতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছে। একটি শান্তিপূর্ণ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন নিশ্চিত করতে নির্বাচনের শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত সেনাবাহিনী জনগণের আস্থা ও নিরাপত্তার প্রতীক হিসেবে মাঠে সক্রিয় থাকবে।

গত শুক্রবার রাতে মুকসুদপুর উপজেলার বাটিকামারী বাজার এলাকায় ম্যাজিস্ট্রেট মো. আবুল হাসনাতের উপস্থিতিতে সেনাবাহিনী ও পুলিশের সমন্বয়ে একটি চেকপোস্ট স্থাপন করা হয়। এ সময় প্রাইভেট কার, মোটরসাইকেল, বাস ও ট্রাকসহ বিভিন্ন যানবাহনের প্রয়োজনীয় কাগজপত্র, মালামাল ও ওভারলোড সংক্রান্ত বিষয় যাচাই করা হয়।

অভিযান চলাকালে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে বিভিন্ন দোকানদারকে সতর্ক করা হয় এবং নিয়ম ভঙ্গের দায়ে জরিমানা আদায় করা হয়। এতে ৭ জন মোটরসাইকেল চালক ও ২টি দোকানে অভিযান চালিয়ে মোট ৪৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত