যশোরের ঝিকরগাছায় দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ভোট চাইতে গিয়ে জামায়াতে ইসলামীর এক নারী কর্মীদের ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে যুবদলের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে। রবিবার (২৫ জানুয়ারি) দুপুরে ঝিকরগাছা পৌরসভার ৫নম্বর ওয়ার্ড কীর্তিপুর গ্রামে হামলার এ ঘটনা ঘটে।
আহত উপজেলা জামায়াতের নেত্রী শিখা খাতুনের অভিযোগ, পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডে আমাদের মহিলা কর্মী রাফিজা, নাসিমা, কামরুন্নাহার, তুলি, বিলকিস, জোসনাসহ ১০ জনের একটি নারী টিম ১০ দলীয় জোট মনোনীত প্রার্থী ডাক্তার মোসলেহ উদ্দিন ফরিদের দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের পক্ষে ভোট চাইতে যান। এসময় উপজেলা যুবদলের সভাপতি আরাফাত রহমান কল্লোলের নেতৃত্বে সবুজ, আহনাত, সোহাগসহ ২০ জনের একটি দল আমাদের কর্মীদের ওপর হামলা ও লাঞ্ছিত করেন। হামলায় আহত জোসনার মোবাইল ও কামরুন নাহারের কাছে থাকা ভেনেটি ব্যাগও ছিনিয়ে নেন তারা। আমরা এ হামলার তীব্র প্রতিবাদ ও এর সঙ্গে জড়িতদের আইনের আওতায় আনার দাবি করছি। আহত নারী নেত্রী জোসনা ও কামরুন্নাহার চিকিৎসকের পরামর্শে বাড়িতে চিকিৎসা নিচ্ছে।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করে উপজেলা যুবদলের সভাপতি আরাফাত রহমান কল্লোল বলেন, জামায়াতের নারী কর্মীরা আমাদের বাড়িতে ভোট চাইতে গিয়েছিলেন। নিজেদের বাড়িতে প্রার্থী আছে উল্লেখ করে আমার মা তাদের চলে যেতে বলেন এতটুকুই।
এবিষয়ে ঝিকরগাছার সহকারী রিটার্নিং অফিসার ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রনি খাতুন বলেন, উপজেলা জামায়াতের পক্ষ থেকে মৌখিকভাবে আমাকে ফোন করে জানানো হয়েছে। তবে বিকেল পর্যন্ত লিখিত কোনো অভিযোগ পাইনি। লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
অভিযুক্ত যুবদল নেতা কল্লোল সম্পর্কে যশোর-২ আসনে ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী সাবিরা নাজমুল মুন্নির চাচাতো দেবর।
