ডেনমার্কের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় অর্থায়িত ডানিডা গ্রিন বিজনেস পার্টনারশিপ (ডিজিবিপি) এর সমর্থনে পরিচালিত গ্রিন ডেইরি পার্টনারশিপ প্রকল্প সম্প্রতি সাতক্ষীরা ও খুলনায় উদ্ভাবনী কৃষকদের জন্য দুই দিনব্যাপী ইন্টিগ্রেটেড লাইফ সাইকেল অ্যাসেসমেন্ট (আইএলসিএ) প্রশিক্ষণ আয়োজন করেছে। প্রশিক্ষণে মোট ৫০ জন খামারি অংশগ্রহণ করেন। তারা পরিবেশ-বান্ধব দুগ্ধ খাত কার্যক্রম পরিচালনা এবং গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণ হ্রাসে প্রয়োজনীয় উপাত্ত সংগ্রহে দক্ষতা অর্জন করেন।
প্রকল্পের প্রথম পর্যায়ে ১০০ জন খামারির মাধ্যমে ১৫টি উন্নত খামার প্রযুক্তি পরীক্ষামূলকভাবে প্রয়োগ করা হবে। এর মধ্যে ৯ জনকে গৃহস্থালির, পারিবারিক ও ব্যবসায়িক খামারে বিস্তারিত বাস্তবায়নের জন্য নির্বাচিত করা হয়েছে। সফল পরীক্ষার ভিত্তিতে পরবর্তীতে ১০,০০০ খামারি এই প্রযুক্তি ব্যবহার করতে পারবে।
প্রশিক্ষণ কার্যক্রমে অংশগ্রহণকারীরা আরলা বিগ ফাইভ প্রযুক্তি ব্যবহার করে কিভাবে খামার পরিচালনার মাধ্যমে কার্বন নিঃসরণ কমানো যায় এবং টেকসই অর্থনীতি গড়ে তোলা যায় তা শিখেছেন। এছাড়া, খামারি পর্যায়ে আইএলসিএ মডেল প্রয়োগ এবং উপাত্ত সংগ্রহের পদ্ধতি সম্পর্কেও বিস্তারিত ধারণা দেওয়া হয়।
প্রকল্পটি দুধ ও দুগ্ধজাত পণ্যের আয়, বিনিয়োগ থেকে প্রাপ্ত লাভ এবং সার্বিক অর্থনৈতিক সুফল অন্তর্ভুক্ত করে একটি পূর্ণাঙ্গ আইএলসিএ মডেল তৈরি করেছে। এই মডেলের মাধ্যমে দুধ সংগ্রহ, জ্বালানী ব্যবহারের দক্ষতা, দুধের অপচয় কমানো এবং সরবরাহ ব্যবস্থাপনা মূল্যায়ন করা হবে, যা পরিবেশগত ও অর্থনৈতিক স্থায়িত্ব নিশ্চিত করবে।
প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণকারী গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের মধ্যে ছিলেন- বাংলাদেশ এগ্রিকালচার ইউনিভার্সিটি রিসার্চ সিস্টেম (বাউরেস) পরিচালক প্রফেসর ড. মো. হাম্মাদুর রহমান, খুলনা জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. শরিফুল ইসলাম, ডুমুরিয়া উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মো. আশরাফুল কবির, সাতক্ষীরা সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অর্ণব দত্ত, এবং সলিডারিডাডের হেড অফ সাপ্লাই চেইন মো. মজিবুল হক।
প্রকল্পটির লক্ষ্য হলো গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণ ৩০% কমানো এবং খামারি গৃহস্থালির আয় ৩০% বৃদ্ধি করা। পাশাপাশি ৫ বছরের মধ্যে খামারি পরিবারের সংখ্যা ৫০,০০০ পর্যন্ত বৃদ্ধি এবং খামারিদের মধ্যে ৮০% নারী নিশ্চিত করার পরিকল্পনা রয়েছে।
প্রকল্পটি বিভিন্ন সহযোগী সংস্থার সমন্বয়ে পরিচালিত হচ্ছে, যার মধ্যে রয়েছে: সলিডারিডাড নেটওয়ার্ক এশিয়া, আরলা ফুডস, প্রাণ ডেইরি, সেগেস ইনোভেশন, আইডিআরএন-বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় এবং ড্যানিশ এগ্রিকালচার অ্যান্ড ফুড কাউন্সিল।
মাইকিং-শোডাউন ছাড়াই প্রচারণার নতুন কৌশল তাসনিম জারার
কারাগারে বন্দিদের নিরাপত্তার পাশাপাশি মানবাধিকার নিশ্চিত করতে হবে