পে স্কেলের দাবিতে আজও বিক্ষোভ, কাল প্রতিবাদ সমাবেশ

আপডেট : ২৯ জানুয়ারি ২০২৬, ১২:৩০ পিএম

জ্বালানি উপদেষ্টার সাম্প্রতিক মন্তব্যকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে সরকারি কর্মচারী ও শিক্ষক সমাজ। বৈষম্যমুক্ত নবম পে স্কেলের গেজেট প্রকাশ এবং উপদেষ্টার বক্তব্য প্রত্যাহারের দাবিতে আজ বৃহস্পতিবারও (২৯ জানুয়ারি) দেশব্যাপী বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করা হচ্ছে। দাবি আদায়ে আগামীকাল শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে বড় ধরনের প্রতিবাদ সমাবেশের ডাক দেওয়া হয়েছে।

আন্দোলনকারীদের মূল ক্ষোভের কারণ জ্বালানি উপদেষ্টা ফাওজুল কবির খানের একটি মন্তব্য। কর্মচারী নেতাদের অভিযোগ, উপদেষ্টা সাংবাদিকদের জানিয়েছেন যে বর্তমান সরকার পে স্কেল বাস্তবায়ন করবে না এবং কেবল আন্দোলন থামাতেই পে কমিশন গঠন করা হয়েছিল। সংগঠনের সদস্যসচিব মো. মাহমুদুল হাসান ও মুখ্য সমন্বয়ক মো. ওয়ারেছ আলী এক বিবৃতিতে এই বক্তব্যকে নিম্ন বেতনভুক্ত কর্মচারীদের সাথে ‘তামাশা’ ও ‘হঠকারী’ বলে আখ্যা দিয়েছেন। তারা অবিলম্বে এই উস্কানিমূলক বক্তব্য প্রত্যাহার করে ১ জানুয়ারি থেকে কার্যকর হওয়ার শর্তে নবম পে স্কেলের প্রজ্ঞাপন জারির দাবি জানিয়েছেন।

এদিকে সরকারি কর্মচারীদের এই আন্দোলনের সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করেছে এমপিওভুক্ত শিক্ষকরাও। ‘এমপিওভুক্ত শিক্ষা জাতীয়করণ প্রত্যাশী জোট’-এর সদস্য সচিব অধ্যক্ষ দেলাওয়ার হোসেন আজিজী জানিয়েছেন, আজ তাদের জোটের ব্যানারে দেশের সব এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করা হচ্ছে। আগামীকাল ৩০ জানুয়ারি জাতীয় প্রেসক্লাবের প্রতিবাদ সমাবেশেও তারা সংহতি জানিয়ে অংশ নেবেন।

কর্মচারী নেতৃবৃন্দ হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, আগামীকালের সমাবেশের পর যদি দাবি আদায় না হয়, তবে ১ ফেব্রুয়ারি থেকে গেজেট প্রকাশ না হওয়া পর্যন্ত দেশব্যাপী বিরতিহীন ধারাবাহিক কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে। 

উল্লেখ্য, মূল্যস্ফীতির সাথে সামঞ্জস্য রেখে বেতন সমন্বয়ের লক্ষ্যে গঠিত ‘জাতীয় বেতন কমিশন–২০২৫’ গত ২১ জানুয়ারি প্রধান উপদেষ্টার কাছে প্রতিবেদন জমা দিলেও এখনো কোনো প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়নি।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত