জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেছেন, যদি ১১ দলীয় জোট সরকার গঠন করে, তাহলে সরকারের মধ্যে থেকে এসব ইশতেহার বাস্তবায়নের চেষ্টা করব। আমি সরকারের মধ্যে থাকার সময় অনেক কিছু অর্জনও করেছি আবার অনেক ক্ষেত্রে ব্যর্থও হয়েছি। আমাদের ইশতেহারে অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে ৩৬টি বিষয় অন্তর্ভুক্ত করেছি। ফলে অনেক বিষয় হয়তো আসেনি। তবে এগুলো আমাদের অগ্রাধিকারে থাকবে। সরকারের অংশীদার হলে এগুলো আমরা বাস্তবায়ন করব।
শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) রাজধানীর গুলশানে এনসিপির ইশতেহার প্রকাশ অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, আমাদের নতুন বন্দোবস্তের যে লড়াই, যে দাবি নিয়ে শুরু করেছিলাম, আমরা এখনও সেই দাবিতেই আছি। অন্তর্বর্তী সরকারের সময় প্রথমত আমাদের লক্ষ্য ছিল সাংবিধানিক পরিবর্তন, আমরা নতুন সংবিধান চেয়েছিলাম। কিন্তু একটা পর্যায়ে এসে সংস্কারে এসে মধ্যস্থতা হয় বক্তব্য গবেষণা করার জন্য। সেখানে আমরা আমাদের পরিমিত লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করতে পারি। নতুন বন্দোবস্তের যে আকাঙ্ক্ষাটা, আমরা এখন একটা দীর্ঘমেয়াদী লড়াই হিসেবে দেখি। একটা দীর্ঘমেয়াদী যাত্রার মধ্য দিয়ে আমাদেরকে অর্জন করতে হবে। আমরা অনেক সুযোগ হারিয়েছি। কিন্তু এই সময় আমাদের অনেক সম্ভাবনা এবং অনেক কিছু অর্জন হয়েছে। ফলে সংস্কারের অনেকগুলো প্রতিশ্রুতি আমরা পেয়েছি। যেটা নির্বাচনে গণভোটের মাধ্যমে দিয়ে বাস্তবায়িত হবে। আমরা নতুন বন্দোবস্তে সেই লড়াই দিকে যাব।
তিনি আরও বলেন, অনেকেই প্রশ্ন তুলেছিলেন, আমরা পুরনো দলের সাথে জোট করার ফলে নতুন বন্দোবস্তের লক্ষ্য থেকে আমরা সরে আসলাম কিনা। আমরা এটা স্পষ্ট করেছি যে, আমাদের জোটটার কিছু রাজনৈতিক জায়গায় ঐক্যমত রয়েছে। মূলত এটা নির্বাচনী একটা জোট। আমাদের চেষ্টা থাকবে এই জোটের মধ্য দিয়ে আমাদের যে সংস্কারের দাবি আমরা সেটাকে বাস্তবায়ন করব এবং আমাদের প্রাধান্য থাকবে বাস্তবায়নের চেষ্টা করা। এ কারণে আমাদের ইশতেহারটা আলাদা দিচ্ছি। যদি ১১ দলীয় জোট সরকার গঠন করে তাহলে সরকারের ভিতরে আমাদের অংশীদারিত্ব থাকবে, সরকারের ভিতর থেকে বাস্তবায়নের চেষ্টা চালাবো। যেরকম আমরা অন্তর্বর্তী সরকারের ভিতরে ছিলাম, আমরা অনেক কিছু চেষ্টা চালিয়েছি, অনেক কিছু অর্জন করেছি, অনেক কিছু হয়তো ব্যর্থ হয়েছি।
