মধ্যপ্রাচ্যে ইরান ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের উত্তেজনা নতুন মাত্রায় পৌঁছেছে। ইরান রবিবার (১ ফেব্রুয়ারি) থেকে হরমুজ প্রণালীতে দুদিনব্যাপী লাইভ ফায়ার নৌ-মহড়ার ঘোষণা দিয়েছে। পারস্য উপসাগরের মুখে অবস্থিত এই সংকীর্ণ জলপথের মাধ্যমে বিশ্বের তেলের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ পরিবহন হয়।
মহড়ার আগে যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড ইরানকে সতর্ক করেছে, যে কোনো 'অপেশাদার বা অসুরক্ষিত' আচরণ মার্কিন নৌবাহিনী, আঞ্চলিক অংশীদার বা বাণিজ্যিক জাহাজের জন্য সংঘর্ষ ও অস্থিতিশীলতা তৈরি করতে পারে।
হরমুজ প্রণালীর সবচেয়ে সংকীর্ণ অংশ মাত্র ৩৩ কিমি প্রশস্ত এবং এটি আন্তর্জাতিক জাহাজ চলাচলের জন্য উন্মুক্ত। মধ্যপ্রাচ্যের বাণিজ্য ও তেল সরবরাহের জন্য প্রণালার গুরুত্ব অপরিসীম।
ইরানের রেভোলিউশনারি গার্ড মহড়ায় অংশ নিতে পারে, যারা প্রায়ই মার্কিন নৌবাহিনীর সঙ্গে টানাপোড়েনের মধ্যে থাকে। এই মহড়া ও সাম্প্রতিক সামরিক মোতায়েন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের হুমকির সঙ্গে মিলিত হয়ে মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা পরিস্থিতি জটিল করছে।
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, হরমুজ প্রণালী ঘিরে উত্তেজনা বিশ্ববাজারে তেলের দামের ওপর প্রভাব ফেলতে পারে এবং অঞ্চলটির ভূ-রাজনৈতিক স্থিতিশীলতাকে বড় ধরনের হুমকির মুখে ফেলেছে।
