ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন আগের দিন হবিগঞ্জ–৩ (হবিগঞ্জ সদর, লাখাই ও শায়েস্তাগঞ্জ) আসনে ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্য জোটের প্রার্থী অধ্যক্ষ কাজী মহসিন আহমদের প্রধান নির্বাচনী কার্যালয় ছাড়তে প্রশাসন চাপ দিচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থীর প্রধান এজেন্ট ও প্রচার বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত মো. হারুন বলেন, প্রশাসনের আচরণে গভীর উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে। বুধবার রাত ৯টায় জোটের এক সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়েছে, গত ২২ জানুয়ারি মাসুদ রানা (পিতা: মরহুম আব্দুল ওয়াহেদ, সাং: অনন্তপুর, হবিগঞ্জ)–এর কাছ থেকে বৈধভাবে ভাড়া নিয়ে উক্ত কার্যালয়ে নিয়মিত নির্বাচনী কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। এর আগে একাধিকবার সেখানে দলীয় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে, যা গণমাধ্যমকর্মীরাও কাভার করেছেন।
নির্বাচনের একেবারে আগের দিন হবিগঞ্জ সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বারবার ফোন করে কোনো পূর্ব নোটিশ ছাড়াই কার্যালয় সিলগালা করার হুমকি দিয়ে অফিস ছেড়ে দিতে মৌখিকভাবে চাপ প্রয়োগ করছেন।প্রশাসনের এমন আচরণ নিরপেক্ষতার প্রশ্ন তোলে। ভোটাররা যখন উৎসবমুখর পরিবেশে ভোট প্রদানের প্রস্তুতি নিচ্ছেন, তখন এই ধরনের অপেশাদার ও পক্ষপাতদুষ্ট আচরণ গণতান্ত্রিক পরিবেশকে ব্যাহত করছে।
সংবাদ সম্মেলনে আরো বলা হয় প্রশাসনের দায়িত্ব সকল প্রার্থীর জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত করা। কোনো নির্দিষ্ট পক্ষকে সুবিধা বা অসুবিধায় ফেলার চেষ্টা গণতন্ত্রের চেতনাবিরোধী। প্রশাসনের কাছে নিরপেক্ষ, দায়িত্বশীল ও আইনসম্মত ভূমিকা পালনের জন্য জোরালো আহ্বান জানানো হয়।
এ ব্যাপারে সহকারী রিটার্নিং অফিসার ও হবিগঞ্জ সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফাতেমা তুজ জোহরার সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, তাদের অফিসটি খাস জমিতে করা হয়েছে। ভূমি নিয়ে ইনজাংশন আছে বলে সাইনবোর্ড লাগানো আছে। আমরা এ সংক্রান্ত কাগজপত্র চেয়েছি। কিন্তু তারা কোন কাগজপত্র দিতে পারেননি। অভিযোগকারী নাম পরিচয় জানেন না জানিয়ে ফাতেমা তুজ জোহরা বলেন ডিসি অফিস থেকে নির্দেশনা পেয়ে ব্যবস্থা নিয়েছি। অফিসটি নিজেরা বন্ধ রাখায় এখনও সীলগালা করা হয়নি।
