জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মাদারীপুর-২ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ লড়াই শেষে বিজয়ী হয়েছেন বিএনপি মনোনীত প্রার্থী জাহান্দার আলী জাহান। ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে তিনি পেয়েছেন ৬১ হাজার ৭৪৪ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী মিল্টন বৈদ্য, কলস প্রতীক নিয়ে অর্জন করেছেন ৪৬ হাজার ৪৭৬ ভোট। একই আসনে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী আব্দুস সোবাহান রিকশা প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৩৬ হাজার ১৬৯ ভোট।
বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত টানা ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। দিনভর বিভিন্ন কেন্দ্র ঘুরে দেখা গেছে, নারী-পুরুষসহ নানা বয়সী ভোটাররা সারিবদ্ধভাবে দাঁড়িয়ে তাঁদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন।
নির্বাচনকে ঘিরে কেন্দ্রের ভেতর ও বাইরে ছিল কঠোর নিরাপত্তাব্যবস্থা। প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিপুলসংখ্যক আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য মোতায়েন করা হয়। সেনাবাহিনী, বিজিবি, র্যাব, পুলিশ ও আনসার সদস্যদের টহল জোরদার ছিল। ফলে কোথাও কোনো অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছেন রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, মাদারীপুর-২ আসনটি মাদারীপুর সদর উপজেলার ১০টি ইউনিয়ন ও ১টি পৌরসভা এবং রাজৈর উপজেলার ১১টি ইউনিয়ন ও ১টি পৌরসভা নিয়ে গঠিত। এ আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৪ লাখ ৩৬ হাজার ২৩২ জন। তাঁদের মধ্যে পুরুষ ভোটার ২ লাখ ২৩ হাজার ৬২১ জন, নারী ভোটার ২ লাখ ১২ হাজার ৬০৩ জন এবং হিজড়া ভোটার রয়েছেন ৮ জন। পুরো আসনে ভোটকেন্দ্র রয়েছে ১৪৫টি—এর মধ্যে সদর উপজেলায় ৭৮টি এবং রাজৈর উপজেলায় ৬৭টি।
এ আসনে মোট ১০ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। তাঁরা হলেন—বিএনপির জাহান্দার আলী জাহান (ধানের শীষ), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মাওলানা আলী আহমদ চৌধুরী (হাতপাখা), বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মাওলানা আব্দুস সোবাহান (রিকশা), জাতীয় পার্টির মো. মহিদুল ইসলাম মুহিদ হাওলাদার (লাঙ্গল), বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দল (বাসদ)–এর মো. দিদার হোসেন (কাঁচি), কল্যাণ পার্টির সুবল চন্দ্র মজুমদার (হাতঘড়ি), স্বতন্ত্র প্রার্থী মিল্টন বৈদ্য (কলস), শহিদুল ইসলাম খান (মোটরসাইকেল), কামরুল ইসলাম সাঈদ আনসারী (হরিণ) এবং রেয়াজুল ইসলাম (ঘোড়া)।
ভোটগ্রহণ শেষে গণনা সম্পন্ন করে বৃহস্পতিবার রাতেই আনুষ্ঠানিক ফলাফল ঘোষণা করা হয়।
দৃষ্টিশক্তি ভালো রাখতে যা জানা জরুরি
মুন্সীগঞ্জে নতুন ভোটারদের উচ্ছ্বাস