ভোট বর্জন করলেন যেসব প্রার্থী

আপডেট : ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১০:৫১ এএম

সারা দেশে শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে। তবে বিভিন্ন আসনে অনিয়ম ও কারচুপির অভিযোগ তুলে পাঁচজন প্রার্থী ভোট বর্জনের ঘোষণা দিয়েছেন।

কুমিল্লা-৪ (দেবিদ্বার)

ভোটগ্রহণ শেষে ফেসবুক লাইভে এসে বর্জনের ঘোষণা দেন কুমিল্লা-৪ আসনে বিএনপির সমর্থন পাওয়া গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আ. জসিম উদ্দিন। তিনি অভিযোগ করেন, ভোট কারচুপি, কেন্দ্র দখল, অবৈধভাবে অর্থ বিতরণ এবং প্রশাসনের পক্ষপাতিত্বের মাধ্যমে নির্বাচন প্রভাবিত করা হয়েছে। তার দাবি, বিভিন্ন কেন্দ্র থেকে তার এজেন্টদের বের করে দেওয়া হয় এবং জাল ভোট প্রদান করা হয়েছে।
এ আসনে তার প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক আবুল হাসনাত আবদুল্লাহ।
উল্লেখ্য, আসনটিতে বিএনপি থেকে মনোনয়ন পেয়েছিলেন চারবারের সংসদ সদস্য মঞ্জুরুল আহসান মুন্সী। ঋণখেলাপির দায়ে আদালত তার প্রার্থিতা বাতিল করলে জসিম উদ্দিনকে সমর্থন দেয় বিএনপি।

নারায়ণগঞ্জ-৩

অনিয়ম ও কারচুপির অভিযোগ এনে ভোট বর্জন করেছেন নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী অধ্যাপক মো. রেজাউল করিম। তিনি আগে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে চারবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন এবং ২০০১ সালে বিএনপি সরকার গঠন করলে প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন। দলীয় মনোনয়ন না পেয়ে এবার স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নেন তিনি।

খাগড়াছড়ি

প্রশাসনের পক্ষপাতিত্ব, নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় হস্তক্ষেপ এবং পর্যাপ্ত নিরাপত্তা না পাওয়ার অভিযোগ তুলে ভোটগ্রহণের আগের রাতেই নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা দেন খাগড়াছড়ি আসনে বাংলাদেশ মুসলিম লীগ মনোনীত প্রার্থী মো. মোস্তফা।

দিনাজপুর-৫

দিনাজপুর-৫ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী রুস্তম আলীও ভোট বর্জনের ঘোষণা দিয়েছেন। গতকাল দুপুরে তিনি অভিযোগ করেন, প্রতিদ্বন্দ্বীরা পেশিশক্তি ব্যবহার ও অর্থের বিনিময়ে ভোট কেনাবেচা করছেন। পাশাপাশি বিভিন্ন কেন্দ্রে তার এজেন্টদের সঙ্গে অসহযোগিতামূলক আচরণ করা হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।

কিশোরগঞ্জ-৪

নির্বাচনে অনিয়ম, কারচুপি, জাল ভোট এবং প্রশাসনের একপেশে আচরণের অভিযোগ তুলে কিশোরগঞ্জ-৪ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী (ফুটবল প্রতীক) কাজী রেহা কবির সিগমাও ভোট বর্জনের ঘোষণা দিয়েছেন।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত