২০২৪ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ অভিষেকে হইচই ফেলেছিল যুক্তরাষ্ট্র। প্রথম পর্বে পাকিস্তানকে সুপার ওভারে হারানোর পর উঠে গিয়েছিল সুপার এইটে। সেই যুক্তরাষ্ট্র এবারও সুপার এইটে খেলার স্বপ্ন দেখছে। রবিবার চেন্নাইয়ে নামিবিয়াকে ৩১ রানে হারিয়ে সেই স্বপ্ন বাঁচিয়ে রাখল মার্কিনিরা। যুক্তরাষ্ট্রের এই জয় ভারত ও পাকিস্তানকে একটু চাপেই ফেলল। ভারত কিংবা পাকিস্তান, যে কোনো একটি দল নিজেদের শেষ দুই ম্যাচ হারলে টানা দ্বিতীয়বার সুপার এইটে উঠে যেতে পারে যুক্তরাষ্ট্র।
টসে জিতে ব্যাটিং নিয়ে ৪ উইকেটে ১৯৯ রান করে যুক্তরাষ্ট্র। আর একটি রান করলেই স্কটল্যান্ডের পর দ্বিতীয় সহযোগী সদস্য দল হিসেবে টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপে ২০০ করতে পারত দলটি। ইনিংসের শেষ বলটায় সঞ্জয় কৃষ্ণমূর্তি রান নিতে পারেননি। দলকে ২০০ এনে দিতে না পারলেও কৃষ্ণমূর্তির ব্যাট থেকেই এসেছে ম্যাচের সর্বোচ্চ ইনিংসটি। ৩৩ বলে ৪টি চার ও ৬টি ছক্কায় ৬৮ রানে অপরাজিত ছিলেন ২২ বছর বয়সী ব্যাটসম্যান। ১৩ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি ক্যারিয়ারের প্রথম ফিফটিটি বিশ্বকাপেই পেলেন এই অলরাউন্ডার।
যুক্তরাষ্ট্রের ইনিংসে ৩০ বলে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৫০ রান করেছেন অধিনায়ক মোনাঙ্ক প্যাটেল। উইকেটকিপার শায়ান জাহাঙ্গীরকে নিয়ে উদ্বোধনী জুটিতে ৬.৫ ওভারে ৬৮ রান এনে দেন মোনাঙ্ক। এই ভিতের ওপর দাঁড়িয়েই পরে তাণ্ডব চালিয়েছেন কৃষ্ণমূর্তি।
রান তাড়ায় পুরো ২০ ওভার খেলে ৬ উইকেটে ১৬৮ রান করতে পারে নামিবিয়া। দলটির হয়ে ৩৯ বলে সর্বোচ্চ ৫৮ রান করেছেন ওপেনার লোরেন স্টিনক্যাম্প। যুক্তরাষ্ট্রের সেরা বোলার শ্যাডলি ফন শালকভিক। ৪ ওভারে ৩০ রান দিয়ে ২ উইকেট পেয়েছেন এই পেসার। ভারত ও পাকিস্তান, দুই দলের বিপক্ষেই ৪ উইকেট পাওয়া শালকভিকের উইকেট এখন ১৩টি। টুর্নামেন্টে সর্বোচ্চ উইকেটশিকারি এই মার্কিন বোলার।
সংক্ষিপ্ত স্কোর
যুক্তরাষ্ট্র: ২০ ওভারে ১৯৯/৪ (কৃষ্ণমূর্তি ৬*, মোনাঙ্ক ৫২, মিলিন্দ ২৮; মাইবুর্গ ২/২২, এরাসমাস ২/২৭)। নামিবিয়া: ২০ ওভারে ১৬৮/৬ (স্টিনক্যাম্প ৫৮, স্মিট ৩১, লফটি-ইটন ২৮; ফন শালকভিক ২/৩০)। ফল: যুক্তরাষ্ট্র ৩১ রানে জয়ী। ম্যান অব দ্য ম্যাচ: সঞ্জয় কৃষ্ণমূর্তি।
হ্যান্ডশেক হলো না, ভারতের বিপক্ষে ফিল্ডিংয়ে পাকিস্তান