শপথ নিলেন প্রধানমন্ত্রী সঙ্গে ২৫ মন্ত্রী ২৪ প্রতিমন্ত্রী

আপডেট : ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৭:১৪ এএম

কত সংগ্রাম, কত ত্যাগ, কত অপেক্ষা; ১৯ বছর। প্রতিমুহূর্ত দেশের জন্য মানুষের জন্য মন কাঁদলেও ১৭ বছর কেটেছে বিদেশে নির্বাসিত জীবন থেকে ফিরতে না পারার অবর্ণনীয় কষ্টে। হারাতে হয়েছে আদরের ছোট ভাইকে; হয়নি শেষ দেখার সুযোগও। বিনা দোষে মায়ের দীর্ঘ কারাভোগে অসুস্থতা; হাসপাতালই যেন তখন হয়ে যায় বাসা; অবশেষে হারিয়েছেন সেই মমতাময়ী মাকে। জীবনের বহু কিছু হারানোর পর গতকাল এলো এক মাহেন্দ্রক্ষণ। ১২ ফেব্রুয়ারির জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দুই-তৃতীয়াংশ আসন জয়ের পর দেশ গড়ার আনুষ্ঠানিক দায়িত্ব পেলেন তিনি। প্রথমবারের মতো প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং প্রয়াত প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার জ্যেষ্ঠ পুত্র বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

এ শপথের মধ্য দিয়ে ১৯ বছর পর পঞ্চমবারের মতো সরকার গঠন করল বিএনপি। তারেক রহমানের নেতৃত্বে যাত্রা হলো নতুন সরকারের। এ যাত্রায় তার স্বপ্নসারথি ২৫ মন্ত্রী ও ২৪ প্রতিমন্ত্রী। এই মন্ত্রিসভা তিনি গড়েছেন নবীন-প্রবীণের সমন্বয়ে। গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন শপথ পড়ান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে। বাংলাদেশের ইতিহাসের দীর্ঘ ঐতিহ্য ভেঙে নতুন সরকারের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান হয় জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায়। আগে শপথ অনুষ্ঠান হতো বঙ্গভবনে। এই শপথের মাধ্যমে তারেক রহমানের নেতৃত্বে ৪৯ সদস্যের মন্ত্রিসভায় ২৫ মন্ত্রীর মধ্যে দুজন টেকনোক্র্যাট কোটায় স্থান পেয়েছেন। ২৪ প্রতিমন্ত্রীর মধ্যেও একজন টেকনোক্র্যাট। কয়েকজনকে একাধিক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান ও তাদের মেয়ে ব্যারিস্টার জাইমা রহমানকে সঙ্গে নিয়ে গতকাল বিকেল ৩টা ৫৮ মিনিটে শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে প্রবেশ করেন তারেক রহমান। এ সময় দাঁড়িয়ে করতালি দিয়ে সবাই তাকে অভ্যর্থনা জানান। তার পরনে ছিলেন সাদা শার্ট এবং কালো চেক কোট-প্যান্ট। রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বিকেল ৪টা ৪ মিনিটে অনুষ্ঠানস্থলে প্রবেশ করেন। পবিত্র কোরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে ৪টা ৭ মিনিটে শুরু হয় শপথ অনুষ্ঠান। রাষ্ট্রপতি ৪টা ১২ মিনিটে তারেক রহমানকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের শপথ এবং গোপনীয়তার শপথবাক্য পাঠ করান। এরপর পর্যায়ক্রমে বিকেল ৪টা ১৮ মিনিটে মন্ত্রী ও ৪টা ২৬ মিনিটে প্রতিমন্ত্রীদের শপথবাক্য পাঠ করানো হয়। শপথ গ্রহণের পর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবং মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীরা শপথ বইয়ে স্বাক্ষর করেন। এর আগে প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রপতির সঙ্গে হাত মেলান। মন্ত্রিপরিষদ সচিব ড. নাসিমুল গনি শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন।

এ সময় অন্তর্বর্তী সরকারের বিদায়ী প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস এবং উপদেষ্টা পরিষদের কয়েকজন সদস্য, প্রধান বিচারপতি, প্রধান নির্বাচন কমিশনার, সুপ্রিম কোর্টের বিচারক, সংসদ সদস্য, রাজনৈতিক নেতা, তিন বাহিনীর প্রধান, কূটনৈতিক কোরের সদস্য, সিনিয়র সাংবাদিক এবং উচ্চপদস্থ বেসামরিক ও সামরিক কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

বাংলাদেশের নবনির্বাচিত সরকারের শপথ অনুষ্ঠানে দক্ষিণ এশিয়ার শীর্ষ নেতা ও প্রতিনিধিরা অংশ নেন। মালদ্বীপ, ভুটান, ভারত, পাকিস্তান, নেপাল ও শ্রীলঙ্কা থেকে আসা অতিথিরা আঞ্চলিক বন্ধুত্ব ও সহযোগিতার বার্তা দেন।

এর আগে সকালে নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান হয়। এরপর বিএনপির সাংসদীয় কমিটির সভা হয়। সেই সভায় তারেক রহমানকে প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা নির্বাচিত করা হয়।

শপথ অনুষ্ঠান দেখার জন্য সকাল থেকে সংসদ ভবন এলাকায় এসে জড়ো হন অনেকে। তারা ছিলেন খুবই উজ্জীবিত। কেউ আসেন সংসদ সদস্যদের সঙ্গে দেখা করতে। কেউ দলীয় নেতার সঙ্গে আবার কেউ নিজ থেকে এসেছেন ঐতিহাসিক এই মুহূর্তের সাক্ষী হবে। সংসদীয় কমিটির বৈঠকের পর তারেক রহমান দুপুরের আগে গুলশানের বাসভবনে যান। শপথ নিতে গুলশানের ১৯৬ রোডের বাসভবন থেকে জাতীয় সংসদে যাওয়ার পথে প্রায় আধা ঘণ্টা বিজয় সরণি সিগন্যালে যানজটে বসে ছিলেন তারেক রহমান। মঙ্গলবার দুপুরে বিজয় সরণি সিগন্যালের ট্রাস্ট ফিলিং স্টেশনের সামনে এ ঘটনা ঘটে। অন্যদিকে প্রধান উপদেষ্টার গাড়িবহর সড়কের উল্টো পথ ব্যবহার করে একই গন্তব্যে ছুটে যায়।

২৫ মন্ত্রী কে কোন দপ্তর পেলেন : মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী; আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীকে অর্থ এবং পরিকল্পনামন্ত্রী; সালাহউদ্দিন আহমদকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী; ইকবাল হাসান মাহমুদকে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী; হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বীরবিক্রমকে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী; আবু জাফর মো. জাহিদ হোসেনকে মহিলা ও শিশুবিষয়ক এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রী; ড. খলিলুর রহমানকে (টেকনোক্র্যাট) পররাষ্ট্রমন্ত্রী; আবদুুল আউয়াল মিন্টুকে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী; কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদকে ধর্মমন্ত্রী; মিজানুর রহমান মিনুকে ভূমিমন্ত্রী; নিতাই রায় চৌধুরীকে সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রীর দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। খন্দকার আবদুল মুক্তাদিরকে তিনটি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে বাণিজ্য, শিল্প এবং বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়; আরিফুল হক চৌধুরীকে শ্রম ও কর্মসংস্থান এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী; জহির উদ্দিন স্বপনকে তথ্য, সম্প্রচারমন্ত্রীর দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। মোহাম্মদ আমিন উর রশিদকে (টেকনোক্র্যাট) তিনটি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং খাদ্য মন্ত্রণালয়; আফরোজা খানকে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী; মো. শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানিকে পানিসম্পদ মন্ত্রী; আসাদুল হাবিব দুলুকে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী; মো. আসাদুজ্জামানকে আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী; জাকারিয়া তাহেরকে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী; দীপেন দেওয়ানকে পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রী; আ ন ম এহসানুল হক মিলনকে শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী; সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেনকে স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রী; ফকির মাহবুব আনামকে ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রীর দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। শেখ রবিউল আলমকে তিনটি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে সড়ক পরিবহন ও সেতু, রেলপথ এবং নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়।

২৪ প্রতিমন্ত্রীরা যেসব মন্ত্রণালয় পেয়েছেন : এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী; অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বিদ্যুৎ জ¦ালানি ও খনিজ প্রতিমন্ত্রী; মো. শরিফুল আলম বাণিজ্য, শিল্প এবং পাট ও বস্ত্রমন্ত্রী; শামা ওবায়েদ ইসলাম পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী; সুলতান সালাউদ্দিন টুকু কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং খাদ্য প্রতিমন্ত্রী; ব্যারিস্টার কায়সার কামাল ভূমি প্রতিমন্ত্রী; ফরহাদ হোসেন আজাদ পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী; আমিনুল হক (টেকনোক্র্যাট) যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী; মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী; হাবিবুর রশীদ এবং মো. রাজিব আহসানকে সড়ক পরিবহন ও সেতু, রেলপথ এবং নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী; মো. আব্দুল বারী জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী; মীর শাহে আলম স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী; জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি অর্থ এবং পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী; ইশরাক হোসেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী; ফারজানা শারমিন মহিলা ও শিশুবিষয়ক এবং সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী; শেখ ফরিদুল ইসলাম পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন, ধর্মবিষয়ক এবং আইন বিচার ও সংসদবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী; নুরুল হক নুর শ্রম ও কর্মসংস্থান এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী; ইয়াসের খান চৌধুরী তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী; এম ইকবাল হোসেইন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী; এমএ মুহিত স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ, ডাক ও টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী; আহম্মদ সোহেল মঞ্জুর গৃহায়ন ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী; ববি হাজ্জাজ শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ও আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়াম সংস্কৃতিবিষয়ক প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পেয়েছেন।

মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের বক্তব্য : আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, ‘কঠিন কাজ, কঠিন সময়। দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ আকৃষ্ট করতে হবে। একই সঙ্গে দক্ষতা বাড়াতে হবে।’ তিনি আরও বলেন, ‘চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হবে। জবাবদিহিও নিশ্চিত করতে চাই।’

জহির উদ্দিন স্বপন প্রতিক্রিয়ায় বলেন, ‘দলের পক্ষ থেকে এ পুরস্কারের জন্য আমি কৃতজ্ঞ। বিশেষভাবে কৃতজ্ঞ দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমানের প্রতি। তিনি আমার ওপর আস্থা রেখেছেন। সবার সঙ্গে পরামর্শ করে কাজ করব।’ শেখ রবিউল ইসলাম বলেন, ‘যোগ্য বিবেচনা করেই তারেক রহমান আমাকে দায়িত্ব দিয়েছেন। আস্থার মর্যাদা রাখতে চাই। চ্যালেঞ্জ আছে। আমরা চ্যালেঞ্জ নিতেও জানি।’

মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়া বিএনপির জোটসঙ্গী হিসেবে নির্বাচিত সংসদ সদস্য মো. জোনায়েদ আব্দুর রহিম (জোনায়েদ সাকি) প্রতিক্রিয়ায় বলেন, ‘এটি বড় দায়িত্ব। শহীদদের আত্মত্যাগকে মর্যাদা দিয়ে দায়িত্ব পালনের চেষ্টা করব। বাংলাদেশকে নতুন করে গড়ে তুলতে চাই।’

সংসদ সদস্যদের শপথ : প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথের আগে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যরা শপথ নিয়েছেন। গতকাল সকাল পৌনে ১১টায় জাতীয় সংসদ ভবনের শপথগ্রহণ কক্ষে বিএনপির নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথবাক্য পাঠ করান প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এএমএম নাসির উদ্দিন। সংসদ সচিবালয়ের সচিব কানিজ মওলা এ শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন।

প্রথমে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানসহ বিএনপি থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথবাক্য পাঠ করান সিইসি। পরে তারা সবাই শপথ বইয়ে স্বাক্ষর করেন। এরপর বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী থেকে নির্বাচিত ও স্বতন্ত্র সংসদ সদস্যসহ অন্যান্য দল থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের পর্যায়ক্রমে শপথবাক্য পাঠ করান প্রধান নির্বাচন কমিশনার।

তারেক রহমান সংসদীয় দলের নেতা নির্বাচিত : শপথের পর বিএনপি সংসদীয় দলের নেতা নির্বাচিত হন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) চেয়ারম্যান তারেক রহমান। বিএনপির সংসদীয় দলের বৈঠক তাকে নেতা নির্বাচন করা হয়। গতকাল সকালে বিএনপির নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথগ্রহণের পর বেলা সোয়া ১১টায় জাতীয় সংসদ ভবনে সংসদীয় দলের সভাকক্ষে এ বৈঠক হয়।

বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবীর খান বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, সংসদীয় দলের প্রথম বৈঠকে সর্বসম্মতিক্রমে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নির্বাচিত করা হয়।

বাবা-মায়ের কবর জিয়ারত : প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথগ্রহণের পর তারেক রহমান রাতে বাবা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও মা বেগম খালেদা জিয়ার কবর জিয়ারত করেন। এ সময় স্ত্রী-কন্যা ও প্রয়াত ছোট ভাই আরাফাত রহমান কোকোর স্ত্রী সঙ্গে ছিলেন।

গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের নির্বাচনে ২০৯টি আসন পেয়ে নিরঙ্কুশ জয়লাভ করে বিএনপি। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী পায় ৬৮টি আসন। অন্যান্য দল এবং স্বতন্ত্র প্রার্থীরা বাকি আসনগুলোতে জয়ী হয়েছেন।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত