ব্রাজিল সুপারস্টার নেইমার কি আদৌ ২০২৬ বিশ্বকাপ খেলতে পারবেন- এটাই ব্রাজিলিয়ান ফুটবলে সবচেয়ে বড় প্রশ্ন। চোটপ্রবণতা এবং ফর্মহীনতার কারণে নেইমার ব্রাজিল কোচ কার্লো আনচেলত্তির গুডবুকে নেই। তবে তার জন্য দরজা একেবারে বন্ধ হয়ে যায়নি। চুড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে আরও কিছুদিন সময় নিচ্ছেন আনচেলত্তি।
ব্রাজিলিয়ান ফুটবল কনফেডারেশনের (সিবিএফ) বরাত দিয়ে ‘মুন্দো দোপার্তিভো’ জানিয়েছে, নেইমারের পুনর্বাসন পরিকল্পনা অনুযায়ী মে মাসের শেষ পর্যন্ত তাকে পর্যবেক্ষণে রাখা হবে। এরপরই আসন্ন বিশ্বকাপ দলে তাকে রাখা বা না রাখার বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। মার্চে যুক্তরাষ্ট্রে ফ্রান্স ও ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচ খেলবে ব্রাজিল। ধারণা করা হচ্ছে, ওই ম্যাচগুলোতে নেইমারকে না-ও ডাকা হতে পারে।
ব্রাজিল কোচ আনচেলত্তি নাকি অভ্যন্তরীণভাবে একটি সময়সীমা নির্ধারণ করেছেন, যাতে নেইমারকে অন্যদের তুলনায় কিছুটা বেশি সময় দেওয়া হয়। কারণ একটাই- ‘নেইমার মানে নেইমার’। তার অভিজ্ঞতা আর সামর্থ্য নিয়ে কারও, এমনকী আনচেলত্তিরও কোনো সংশয় নেই। ২০২৬ বিশ্বকাপের আগে নেইমারকে ঘিরে মূল প্রশ্ন একটাই—তিনি শারীরিকভাবে পুরোপুরি প্রস্তুত হতে পারবেন কিনা।
নেইমার যদি পুরোপুরি ফিটনেস ফিরে পান, তাহলে এটি হবে তার চতুর্থ বিশ্বকাপ। শতভাগ ফিট না হলে আনচেলত্তির দলে তার জায়গা হবে না। ব্রাজিল জাতীয় দলের কোচিং স্টাফের পরিকল্পনা ছিল, ফেব্রুয়ারিতে চোট কাটিয়ে ফেরার পর নেইমার প্রতিযোগিতামূলক ম্যাচ খেলুক। তবে ক্যাম্পেওনাতো পাউলিস্তা থেকে সান্তোসের অপ্রত্যাশিত বিদায়ে সেই সুযোগ আর নেই।
‘রিয়ালের এই জয় বর্ণবাদের বিরুদ্ধে দাঁড়ানো সবার জন্য’
ছেলে খেলছে বিশ্বকাপ; বাবা লড়ছেন মৃত্যুর সঙ্গে