ফিফা বিশ্বকাপের ৯৭ দিন আগে ইনজুরিতে আক্রান্ত হয়েছেন পর্তুগিজ সুপারস্টার ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম জানিয়েছে, রোনালদোর চোট প্রত্যাশার চেয়েও গুরুতর। সেরে উঠতে অন্তত চার সপ্তাহ সময় লাগতে পারে। রোনালদোর চোট পর্তুগাল জাতীয় দলের বিশ্বকাপ প্রস্তুতিতেও উদ্বেগ তৈরি করেছে।
গত শনিবার আল ফাইহার বিপক্ষে আল নাসরের ৩-১ জয় পাওয়া ম্যাচে ডান হ্যামস্ট্রিংয়ে পেশীর সমস্যা অনুভব করে মাঠ ছাড়েন রোনালদো। পরবর্তীতে মেডিক্যাল পরীক্ষা করে জানা যায়, ইনজুরি বেশ জটিল। আল নাসর কোচ হোর্হে জেসুস সাংবাদিক সম্মেলনে জানান, ‘সে শেষ ম্যাচে চোট নিয়ে মাঠ ছেড়েছিল। পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর বোঝা গেছে, চোটটি প্রত্যাশার চেয়ে বেশি গুরুতর এবং তার পূর্ণ বিশ্রাম ও পুনর্বাসন প্রয়োজন।’
ম্যাচটিতে রোনালদো পেনাল্টি থেকে একটি গোল করেছেন এবং আরেকটি পেনাল্টি মিস করেছেন। তবে শেষ ৯ মিনিটে শারীরিক সমস্যার কারণে মাঠ ছাড়তে হয়েছে। ম্যাচ শেষে তাকে আঘাতপ্রাপ্ত স্থানে আইস প্যাক দিয়ে বিশ্রাম নিতে দেখা যায়। এরপর গত মঙ্গলবার আল নাসর একটি আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে জানায়, ‘ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো ডান উরুর পেশীতে আঘাত পেয়েছেন। তিনি পুনর্বাসন প্রক্রিয়া শুরু করেছেন এবং চিকিৎসকদের পর্যবেক্ষণে থাকবেন।’
আল নাসরের পরবর্তী ম্যাচ ১৪ মার্চ আল খালিজের বিপক্ষে। এই ম্যাচে রোনালদোর খেলা এখনো অনিশ্চিত। পর্তুগিজ সংবাদপত্র ‘এ বোলা’ জানিয়েছে, রোনালদো তার স্ত্রী জর্জিনা রদ্রিগেজ এবং সন্তানদের সঙ্গে মাদ্রিদে গেছেন। সেখানেই তিনি চিকিৎসা নেবেন। আল নাসরের কোচ জেসুস জানান, ‘ক্রিশ্চিয়ানো মাদ্রিদে ব্যক্তিগত থেরাপিস্টের তত্ত্বাবধানে চিকিৎসা নেবেন। আমরা আশা করি তিনি দ্রুত সুস্থ হয়ে দলে যোগ দেবেন।’
বিশ্বকাপের শুরুতে মাত্র ৯৭ দিন বাকি থাকায় রোনালদোর অনুপস্থিতি পর্তুগাল জাতীয় দলের প্রস্তুতিতে সমস্যা তৈরি করেছে। পর্তুগাল দলের কোচ রবার্তো মার্টিনেজ দুটি আন্তর্জাতিক ফ্রেন্ডলি ম্যাচের জন্য দল সাজাতে সমস্যায় পড়েছেন। আগামী ২৮ মার্চ এবং ৩১ মার্চ পর্তুগাল মেক্সিকো ও যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে খেলবে। ম্যাচ দুটিতে রোনালদো যে খেলতে পারবেন না, তা অনেকটাই নিশ্চিত।
বিশ্বকাপ ফাইনালের জন্য কেমন উইকেট তৈরি করেছে ভারত?
সালাহ–রবার্টসনের নৈপুণ্যে এফএ কাপের শেষ আটে লিভারপুল