বাণিজ্যমন্ত্রী বললেন

ভোজ্য তেলের দাম বাড়বে না

আপডেট : ১০ মার্চ ২০২৬, ১২:৩৬ এএম

বাজারে ভোজ্য তেলের পর্যাপ্ত মজুদ রয়েছে। তেলের দাম বৃদ্ধির সম্ভবনা নেই বলে মন্তব্য করেছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। গতকাল সোমবার বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে ভোজ্য তেলের সার্বিক সরবরাহ পরিস্থিতি পর্যালোচনার জন্য ভোজ্য তেল ব্যবসায়ীদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন মন্ত্রী। বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলে তিনি।

বাণিজ্যমন্ত্রী আব্দুল মুক্তাদির বলেন, জ্বালানি তেলের মতো ভোজ্য তেলের ক্ষেত্রেও কোনো সংকট নেই। জ্বালানি তেল, গ্যাস বা ভোজ্য তেল কোনোটিতেই সংকট নেই। তাই এসব পণ্যের সঙ্গে ‘সংকট’ শব্দটি যুক্ত করে অযথা বিভ্রান্তি তৈরি না করার আহ্বান জানাচ্ছি।

মন্ত্রী জানান, বাজার পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে তদারকি কার্যক্রম আরও জোরদার করা হবে। একই সঙ্গে গুজব ও আতঙ্ক ছড়ানো থেকে বিরত থাকার জন্য আহ্বান জানান তিনি। তিনি বলেন, তেলের দাম বাড়বে না। ভোক্তারা নিশ্চিন্তে বাজার করতে পারেন। বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীন জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর বাজার তদারকি করছে এবং জেলা প্রশাসনও নিয়মিত অভিযান চালাবে।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, বাজারে ভোজ্য তেলের সরবরাহ সংকট এবং বাড়তি দামের কথা আলোচনায় এসেছে। আতঙ্কিত হয়ে অতিরিক্ত কেনাকাটা (প্যানিক বায়িং) করার কারণেই এমনটা হয়েছে। যে কারণে সাময়িকভাবে কিছু জায়গায় সরবরাহের চাপ তৈরি করেছে।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, গত কয়েক দিনে বিভিন্ন গণমাধ্যমে কোথাও কোথাও ভোজ্য তেলের সংকট বা লিটারে ২ টাকা বেশি দামে বিক্রির খবর প্রকাশ হওয়ায় পরিস্থিতি পর্যালোচনা করতে এই বৈঠক। বৈঠকে আমদানিকারক ও রিফাইনারি মালিকদের কাছ থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী বাজারে ভোজ্য তেলের পর্যাপ্ত মজুদ রয়েছে।

তিনি বলেন, আমরা পরিস্থিতি পর্যালোচনা করার জন্য বসেছিলাম। বৈঠকে আমরা জানতে পেরেছি, বাজারে ভোজ্য তেলের পর্যাপ্ত সরবরাহ আছে। কোথাও কোথাও ভোক্তাদের আতঙ্কিত হয়ে বেশি বেশি কেনার প্রবণতার কারণে সাময়িকভাবে কিছু দোকানে মজুদ শেষ হয়ে যেতে পারে।

এ সময় বাণিজ্যমন্ত্রী নিজের একটি অভিজ্ঞতার কথাও তুলে ধরে বলেন, রাজধানীর একটি বাজারে গিয়ে দেখেছি, রাস্তার পাশে বড় দোকানগুলোতে ভোজ্য তেল পর্যাপ্ত রয়েছে এবং বোতলের গায়ে নির্ধারিত দামই লেখা আছে। তবে বাজারের ভেতরের একটি দোকানে সীমিত তেল মজুদ রেখে প্রতি লিটারে ২ থেকে ৩ টাকা বেশি দামে বিক্রির চেষ্টা করা হচ্ছিল।

ভোক্তাদের উদ্দেশে তিনি বলেন, আতঙ্কিত হয়ে বেশি বেশি কেনার কোনো প্রয়োজন নেই। বাজারে যেহেতু পণ্য আছে, তাই অযথা প্রতিযোগিতা করলে অসাধু ব্যবসায়ীরা সুযোগ নিতে পারেন।

সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত