ফুটপাতেই ভিড় বেশি, মার্কেটে কম

আপডেট : ১৬ মার্চ ২০২৬, ০৭:০৬ পিএম

ময়মনসিংহের ত্রিশালে ঈদের কেনাকাটায় ফুটপাতেই ভিড় বেশি। ফুটপাতের তুলনায় মার্কেকগুলোতে ভিড় একটু কম লক্ষ করা গেছে। বিশেষ করে ফুটপাত বাজারে নিম্নআয়ের মানুষের ভিড় শেষ মুহূর্তে বৃদ্ধি পাচ্ছে। ছোট গত ঈদ যতই ঘনিয়ে আসছে সাধ্যের মধ্যে পছন্দের পোশাক কিনতে ভিড় জমাচ্ছেন ত্রিশাল পৌরসভার প্রধান সড়কের দু'পাশের ফুটপাতের দোকানগুলোতে। ক্রেতাদের মনোযোগ আকর্ষণে হরেক রকম বাহারি পোশাকের পসরা সাজিয়ে বসেছেন দোকানিরা। ঈদ বস্ত্রের চাহিদা বাড়ায় বিভিন্ন ধরনের শীতের পোশাক তুলেছেন তারা। প্রতিদিন সকাল থেকে রাত পর্যন্ত ফুটপাতের দোকানগুলোতে নিম্নআয়ের মানুষের পাশাপাশি উচ্চবিত্তরাও রাস্তার পাশের এসব দোকানে ভিড় জমাচ্ছে। বিশেষ করে মৌসুমভিত্তিক দোকানগুলোতে ঈদের কাপড় কেনাবেচা চলছে পুরোদমে। সামনের দিনে অনেক ভালো ব্যবসা হবে এমনটাই আশা ফুটপাতে বসা দোকানিদের।

ফুটপাতের দোকানে বড়দের একটি ঈদের কাপড়ের দাম ১৫০ থেকে ২০০ টাকা, বাচ্চাদের কাপড় ৫০ থেকে শুরু করে ১৫০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে। সাধ্যের মধ্যে থেকেই পছন্দের ঈদের পোশাকটি বেছে নিতে চেষ্টা করছে নিম্নবিত্ত দরিদ্র মানুষরা। প্রতিবছর ঈদের মৌসুম এলেই তাদের বিক্রয়ের অবস্থা বেশ ভালোই হয়। গত কয়েকদিন ধরেই ক্রেতারা সামর্থ্য অনুযায়ী ভিড় জমাচ্ছেন বড় শপিংমল থেকে শুরু করে ফুটপাতের দোকানগুলোতে। তবে ফুটপাতেই একটু ভিড় বেশি।

ফুটপাতের দোকানদার জামাল শেখ জানান, আমি দীর্ঘদিন ধরে ব্যবসা করে আসছি। ঈদ কাছাাছি আসলে ব্যবসা অনেক ভালো হয় এবং ঈদ চলে গেলে বেচাকেনা কম হয়। বড়দের ও বাচ্চাদের কাপড় পাওয়া যায়, সেগুলোর দাম তুলনামূলক ভাবে মার্কেটের চেয়ে একটু কম হয়। কোনও পোশাকের মূল্য নির্দিষ্ট করা থাকে না। তবে দর কষাকষি ছাড়া পছন্দের পোশাক ক্রেতাদের কেনা সম্ভব হয় না। সব পোশাকের দাম একটু বেশি করে চাওয়া হয়। যাতে বিক্রেতারা তাদের লাভ পুষিয়ে নিতে পারেন। অন্যদিকে বাজার রোড সোনালী ব্যাংকের সামনের  ফুটপাতের বিক্রেতা রতন মিয়া জানান, সব বয়সী মানুষের পোশাক বিক্রয় হচ্ছে, এসব ফুটপাতগুলোতে।

গার্মেন্টস আইটেমের চেয়ে পুরাতন কাপড়ও বিক্রি করে বেশি লাভ হয়। ভাগ্যের ওপর নির্ভর করে আমাদের লাভ-লোকসান। কেননা আমরা এক একটি কাপড়ের গাইট কিনি ৫০ হাজার থেকে ১ লাখ টাকায়, সেই বিদেশি গাইটগুলো থেকে কখনো ভালো কাপড় বের হয় কখনো আবার খারাপ।

ফুটপাতে পোশাক কিনতে আসা ক্রেতা হানিফ বলেন, ঈদ এলে কেনা কাটার ধুম বেড়ে যায়। ২৫০ টাকা দিয়ে আমার জন্য একটি পাঞ্জাবি কিনেছি এবং ৩৭০ টাকা দিয়ে আমার দুই বাচ্চার জন্য ঈদের পোশাক নিয়েছি। দামের দিক দিয়েও মোটামুটি সস্তা। তবে দর দাম করেই পোশাক কিনছি।

সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত