শরীয়তপুরের নড়িয়ায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে বিরোধের জেরে ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়ে ৫০টি ঘর ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় একজন আহত হয়েছেন। এ ছাড়া ১০ জনকে আটক করেছে পুলিশ। উপজেলার রাজনগর ইউনিয়নের কালাই ভূঁইয়ার কান্দি ও দরবেশখার কান্দি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের দিন রাজনগর জামিউল উলুম মাদ্রাসা কেন্দ্রে রাড়ি বংশের সোহাগ রাড়ি, উজ্জ্বল রাড়ি ও মেলকার বংশের মজিবর মেলকারের লোকজনদের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও হাতাহাতি হয়। এর জেরে গত সোমবার ভোর সাড়ে ৫টার দিকে মেলকার বংশের লোকজন ককটেল, ঢাল-সড়কিসহ দেশীয় অস্ত্র নিয়ে রাড়ি বংশের লোকজনের বাড়িতে হামলা করে। এ সময় রাড়ি ও ভূইয়া বংশের অর্ধশত বাড়িঘর ও মোটরসাইকেল ভাঙচুর করে স্বর্ণালংকার, টাকা ও চারটি গরু নিয়ে যায় হামলাকারীরা। হামলায় গিয়াসউদ্দিন বেপারী নামের এক বৃদ্ধ আহত হন। এ ঘটনায় অভিযান চালিয়ে উভয় পক্ষের ১০ জনকে আটক করেছে পুলিশ। এছাড়া ঘটনাস্থল থেকে ২টি ককটেলও উদ্ধার করা হয়েছে।
কালাই ভূঁইয়ার কান্দির বাসিন্দা ভুক্তভোগী হাবিবা আক্তার বলেন, ‘আমরা ঘুমিয়ে ছিলাম। হঠাৎ ককটেলের শব্দে জেগে উঠি। মজিবর মেলকারের লোক রুবেল কাজী, সোহেল কাজীসহ অন্তত শতাধিক লোক আমাদের বাড়িতে ঢুকে ককটেল মেরে বাড়িঘর ভাঙচুর করে। তারা আমাদের ঘর থেকে তিনটি স্বর্ণের চেইন, আড়াই লাখ টাকা ও দুটি ভিসা কার্ড নিয়ে যায়।’ নড়িয়া থানার ওসি বাহার মিয়া বলেন, ঘটনার বিষয়ে তদন্ত চলছে।