২০২৬ সালের ফুটবল বিশ্বকাপের মূল আসরে ৪৮টি দলের নাম চূড়ান্ত হতে আর মাত্র কয়েকদিন বাকি। আগামী এক সপ্তাহে দুটি প্লে-অফ টুর্নামেন্টের মাধ্যমে নির্ধারিত হবে বিশ্বকাপের শেষ ৬টি স্থান। যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা এবং মেক্সিকোর যৌথ আয়োজনে হতে যাওয়া ইতিহাসের সবচেয়ে বড় এই বিশ্বকাপের উন্মাদনা এখন তুঙ্গে।
ইউরোপীয় প্লে-অফ : ইউরোপ থেকে ১৬টি দল চারটি স্থানের জন্য লড়াই করবে। চারটি ভিন্ন পাথে (এ, বি, সি, ডি) বিভক্ত হয়ে সেমিফাইনাল ও ফাইনাল খেলবে তারা। এরমধ্যে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইতালি টানা তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপ মিস করার ঝুঁকিতে রয়েছে। কোচ গেন্নারো গাত্তুসো স্বীকার করেছেন, দলের মধ্যে প্রচণ্ড স্নায়ুচাপ কাজ করছে। আবার কসোভো ও আলবেনিয়া প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপে জায়গা করে নেওয়ার স্বপ্ন দেখছে।
ইউরোপীয় প্লে-অফের সূচি
পাথ এ: ইতালি-উ. আয়ারল্যান্ড; ওয়েলস-বসনিয়া হার্জেগোভিনা
পাথ বি: ইউক্রেন-সুইডেন; পোল্যান্ড-আলবেনিয়া
পাথ সি: তুরস্ক-রোমানিয়া; সেøাভাকিয়া-কসোভো
পাথ ডি: ডেনমার্ক-মেসিডোনিয়া; চেক প্রজাতন্ত্র-আয়ারল্যান্ড
আন্তঃমহাদেশীয় প্লে-অফ : মেক্সিকোর গুয়াদালাহারা এবং মন্টেরিতে হতে যাওয়া এই টুর্নামেন্টে ৬টি দেশ অংশ নেবে, যেখান থেকে দুটি দল মূল পর্বে যাবে। ফিফার র্যাংকিং অনুযায়ী কঙ্গো ও ইরাক সরাসরি ফাইনালে খেলবে। তাদের সঙ্গে খেলবে দুই সেমিফাইনালের জয়ীরা। প্রথম সেমিফাইনাল : নিউ ক্যালেডোনিয়া-জ্যামাইকা (জয়ী দল কঙ্গোর সঙ্গে খেলবে)। দ্বিতীয় সেমিফাইনাল : বলিভিয়া-সুরিনাম (জয়ী দল ইরাকের সঙ্গে খেলবে)। এর মধ্যে নিউ ক্যালেডোনিয়া ও সুরিনাম তাদের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপে খেলার সুযোগ পাচ্ছে।
গ্রুপ বিন্যাস (প্লে-অফ বিজয়ীদের জন্য)
প্লে-অফ জয়ী দলগুলো আগে থেকেই
নির্ধারিত গ্রুপে যোগ দেবে
পাথ ‘এ’ জয়ী গ্রুপ বি-তে
(কানাডা, কাতার, সুইজারল্যান্ড)
পাথ ‘বি’ জয়ী গ্রুপ এফ-তে
(নেদারল্যান্ডস, জাপান, তিউনিসিয়া)
পাথ ‘সি’ জয়ী গ্রুপ ডি-তে
(যুক্তরাষ্ট্র, প্যারাগুয়ে, অস্ট্রেলিয়া)
পাথ ‘ডি’ বিজয়ী গ্রুপ এ-তে
(মেক্সিকো, দক্ষিণ আফ্রিকা, দক্ষিণ কোরিয়া)
আন্তঃমহাদেশীয় পাথ ‘১’ জয়ী গ্রুপ কে-তে (পর্তুগাল, উজবেকিস্তান, কলোম্বিয়া)
পাথ ‘২’ জয়ী গ্রুপ আই-তে
(ফ্রান্স, সেনেগাল, নরওয়ে)