মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাতের প্রভাব পড়তে শুরু করেছে বৈশ্বিক বাণিজ্যে। এরই ধারাবাহিকতায় কেনিয়ার মোম্বাসা বন্দরে প্রায় ২ কোটি ৪০ লাখ ডলার মূল্যের ৬ হাজার থেকে আট হাজার টন চা আটকা পড়ে আছে।
পূর্ব আফ্রিকান চা বাণিজ্য সমিতি এই বন্দর নগরীতে নিলাম পরিচালনা করে, যা একটি বৈশ্বিক বাজার হিসেবে কাজ করে এবং যেখানে প্রতি বছর এই অঞ্চলের কয়েক লাখ টন চা বিক্রি হয়।
সমিতির পরিচালক জর্জ ওমুগা বলেছেন, ২৮শে ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়া যুদ্ধের কারণে পূর্ব আফ্রিকার চা বাজারের প্রায় ৬৫ শতাংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তিনি বলেন, এর ফলে মোম্বাসায় ছয় থেকে আট মিলিয়ন কেজি চা আটকে আছে। অন্যদিকে সুতরাং বন্দরে গড়ে ২ কোটি ৪০ লাখ ডলার মূল্যের চা রয়েছে।”
এই চা গ্রাহকদের কাছে বিক্রি হয়ে গেলেও প্রধানত মধ্যপ্রাচ্যে পাঠানো যাচ্ছে না, জর্জ ওমুগা এর অনুসান অনুমান অনুযায়ী যা বাজারের প্রায় ২০ শতাংশ।
বাজারের ৪০ শতাংশ দখলকারী পাকিস্তানে পণ্য চালানও ব্যাহত হয়েছে, যার কারণ হলো জাহাজ চলাচলের পথের পরিবর্তন এবং বীমার প্রিমিয়াম বৃদ্ধি পাওয়ায় পরিবহন খরচ বেড়ে যাওয়া।
এদিকে, যুদ্ধের কারণে সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে চায়ের বিক্রি প্রায় ২০ শতাংশ কমে গেছে, যার ফলে প্রতি সপ্তাহে ৮ মিলিয়ন ডলারের ক্ষতি হচ্ছে। কেনিয়ার মাংস ও উদ্যানপালন শিল্পও এই সংঘাতের প্রভাব অনুভব করছে, যার ফলে প্রতি সপ্তাহে লাখেরও বেশি ডলার ক্ষতি হচ্ছে।
কেনিয়া মিট অ্যান্ড লাইভস্টক এক্সপোর্টার্স ইন্ডাস্ট্রি কাউন্সিলের সিইও নিকোলাস নাগুর মতে, মার্চের প্রথম তিন সপ্তাহে দৈনিক ১৫০ থেকে ২০০ টন মাংস রপ্তানির মাত্র পাঁচ শতাংশ সরবরাহ করা হয়েছে, যার বেশিরভাগই মধ্যপ্রাচ্যের জন্য নির্ধারিত ছিল।
কেনিয়ার ফুল রপ্তানির ১০ থেকে ১৫ শতাংশও মধ্যপ্রাচ্যে যায় এবং এটি একটি প্রধান ট্রানজিট পয়েন্ট হিসেবে কাজ করে, বিশেষ করে ইউরোপে পণ্য পাঠানোর জন্য।
ঈদের ছুটি শেষে আজ বসবে সংসদ অধিবেশন
ইসরায়েলেও যুদ্ধবিরোধী বিক্ষোভ, বিপাকে নেতানিয়াহু