জ্বালানি সাশ্রয়ের পরামর্শ দিলেন সিএমপি কমিশনার

আপডেট : ০৬ এপ্রিল ২০২৬, ০৯:৩৯ পিএম

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে চট্টগ্রামসহ সারাদেশে চলছে জ্বালানি সংকট। এই অবস্থায় চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার হাসান মো. শওকত আলী সংস্থাটির যানবাহন শাখাকে জ্বালানি সাশ্রয়ের পরামর্শ দিয়েছেন।

সিএমপি জানায়, জ্বালানি সরবরাহ সচল রাখতে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনকে চিঠি দিয়েছে কর্তৃপক্ষ। এই বিষয়ে নগর পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার (প্রশাসন ও ট্রাফিক) ওয়াহিদুল হক চৌধুরী বলেন, ‘আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম স্বাভাবিক নিয়মে চলছে। জ্বালানির কারণে এখন পর্যন্ত কোনও সমস্যা হয়নি।’

এদিকে নগর পুলিশের নিজস্ব যানবাহনের অপ্রয়োজনীয় ব্যবহার কমানোর পাশাপাশি কম গুরুত্বপূর্ণ চেকপোস্ট ও টহল ডিউটি আপাতত বন্ধ রাখার কথা ভাবছেন কর্মকর্তারা।

জানা গেছে, নগরের ১৬ থানা ও ফাঁড়িতে যানবাহন আছে মোট ৭৫৮টি। এর মধ্যে সরকারি যান ৪৯৬টি এবং ভাড়ায় চালিত ২৬২টি। যানবাহনের মধ্যে মোটরসাইকেল ৪৫২টি। অন্যান্য যান ৩০৬টি। ডগ স্কোয়াড ভ্যানও রয়েছে। সিএমপিতে বর্তমানে কর্মরত জনবলের সংখ্যা প্রায় সাড়ে ৫ হাজার।

যানবাহন শাখা জানায়, সিএমপির যানবাহনের জন্য প্রতি মাসে প্রায় ১ লাখ ৩৬ হাজার লিটার ডিজেল, অকটেন ও মবিল লাগে। তেলের চাহিদা হিসেব করে মাসে দেড় কোটি থেকে ১ কোটি ৬০ লাখ টাকা পর্যন্ত বরাদ্দ হয়। নগরের দামপাড়ায় সিএমপি ফুয়েলিং স্টেশন থেকে নগর পুলিশের যানবাহনের জন্য জ্বালানি সরবরাহ করা হয়।

যানবাহন শাখার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. কামরুজ্জামান রাজ বলেন, জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে এখনো কোনো সংকট সৃষ্টি হয়নি। তেলের বাজেট হয় প্রতি তিন মাস পর পর। এই বছরের প্রথম বাজেট অবশ্য এখনও হয়নি। আমরা আগেভাগে মন্ত্রণালয়, বিপিসি এবং পদ্মা অয়েলকে চিঠি দিয়ে ফুয়েল সাপ্লাই স্বাভাবিক রাখার জন্য অনুরোধ করেছি।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত