গাজীপুরের কালিয়াকৈরে ডিলার ও দোকানদারদের বিরুদ্ধে কৃত্রিম সংকট তৈরির মাধ্যমে গ্রাহকদের জিম্মি করে অতিরিক্ত দামে এলপিজি গ্যাস সিলিন্ডার বিক্রির অভিযোগ পাওয়া গেছে। এই কৃত্রিম সংকট ও সিন্ডিকেট কারীদের রোধে বুধবার (৮ এপ্রিল) দুপুরে মতবিনিময় সভা করেছে উপজেলা প্রশাসন।
মতবিনিময় সভা সূত্রে জানা গেছে, মানুষের মৌলিক চাহিদার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে এলপিজি গ্যাসের খুচরা মূল্য ১৭২৭ টাকা নির্ধারণ করে দিয়েছে সরকার। কিন্তু মধ্যপাচ্যের যুদ্ধের কারণে গাজীপুরের কালিয়াকৈরে এলপিজি গ্যাস মজুদ রেখে কৃত্রিম সংকট তৈরি করেন বিভিন্ন কোম্পানির ডিলার ও দোকানদাররা। এভাবে তারা সিন্ডিকেটের মাধ্যমে করে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় গ্রাহকদের কাছ থেকে ২১০০ টাকা থেকে ২২০০ টাকা করে আদায় করছেন। গ্রাহকদের জিম্মি করে সরকারি নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে প্রায় ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা বেশি আদায় করছেন ডিলার ও দোকানদাররা।
গ্যাসের এই কৃত্রিম সংকট ও তাদের সিন্ডিকেট রোধে বুধবার দুপুরে মতবিনিময় সভা করেছে উপজেলা প্রশাসন। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এএইচ এম ফখরুল হোসাইনের সভাপতিত্বে সভায় উপস্থিত ছিলেন- কালিয়াকৈর পৌর নির্বাহী কর্মকর্তা জাহিদুল আলম তালুকদার, কালিয়াকৈর থানার অপারেশন ওসি রবিউল ইসলাম, এলপিজি গ্যাস সিলিন্ডারের ডিলার, ব্যবসায়ী, সাংবাদিকসহ ভোক্তারা।
সভায় ভোক্তা অধিকারের সাধারণ সম্পাদক জোবায়ের ফয়সাল বলেন, সিন্ডিকেট করে এলপিজি গ্যাস বিক্রি করায় গ্রাহকদের ক্যাশ মেমো দেন না ডিলার ও দোকানদাররা। সরকার বিবেচনা করেই গ্যাসের দাম নির্ধারণ করে দিয়েছে। কিন্তু তারা সংকট দেখিয়ে গ্রাহকদের কাছ থেকে অতিরিক্ত দাম আদায় করছেন। এতে জিম্মি হয়ে পড়েছেন মানুষ। তবে সরকার নির্ধারিত মূল্য তালিকা টানানো ও গ্রাহকদের ক্যাশ মেমো দিয়ে গ্যাস বিক্রির অনুরোধ জানিয়েছেন তিনি।
এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এইচ এম ফখরুল হোসাইন এলপিজি গ্যাসের ডিলার ও দোকানদারদের উদ্দেশ্যে বলেন, আপনারা সিন্ডিকেট করবেন না, গ্যাস মজুদ রাখবেন না। এটা সীমার বাইরে যেন বিক্রি না হয়, আপনারা নির্দিষ্ট গণ্ডির মধ্যে থাকেন। অবৈধ মজুদ করে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
৪২ উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন শেষে জহুরুল হক হল প্রাধ্যক্ষের পদত্যাগ