মান করেছে দিন যে এবার
আসবে বুঝি বৃষ্টি,
ঝড়ো হাওয়া তার ওপরে
ফেলছে আবার দৃষ্টি।
খুকু বলছে, ও ঝড় তুমি
করছো বাড়াবাড়ি,
তোমার কর্মে আমরা ভীতু
যুদ্ধে যে না পারি।
গরিব দুঃখীর কুঁড়েঘরটি
নাও যে তুমি কেড়ে,
তোমার কাছে নরম বৃক্ষ
তারাও যায় যে হেরে।
মাঠের ফসল করে নষ্ট
কী লাভ তুমি পাও,
কেন তুমি আম কাঁঠালের
মুকুল ছিড়ে খাও।
আর হইও না ক্ষতির কারণ
বদল করো স্বভাব,
তা না হলে করব ঘৃণা
বলে দিলাম যে সাফ।
শিং মাছ
মুকুল হোসেন
মাছ ধরিতে গিয়ে খোকা
করে একটি ভুল,
সেই ভুলেরই মাশুল দিতে
খায় শিং মাছের হুল।
আহা! কী যে যন্ত্রণা রে
ধৈর্য ধরা যায় না,
শিং মাছের হুল বিষে ভরা
আর যেন কেউ খায় না।
শিং মাছের বাস কাদার তলে
যায় না তারে ধরা,
দুই পাশের দুই সুঁচালো হুল
থাকে বিষে ভরা।
খুব কৌশলে ধরতে হয় যে
সাবধানতায় মার নেই,
শিং মাছের হুল ফুটায় তখন
কৌশল হারাবে যেই।