বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস)-এর প্রধান সম্পাদক ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক নিযুক্ত হওয়ায় কামাল উদ্দিন সবুজকে অভিনন্দন ও বিদায় সংবর্ধনা জানিয়েছে দেশ রূপান্তর পরিবার। গতকাল দুপুরে রাজধানীর বাংলা মোটরে রূপায়ণ ট্রেড সেন্টারে দেশ রূপান্তর কার্যালয়ে এই বিদায়ী সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হয়। কামাল উদ্দিন সবুজ দেশ রূপান্তরের প্রধান সম্পাদক ছিলেন। সম্প্রতি তিনি বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থার প্রধান সম্পাদক ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন।
বিদায়ী এই আয়োজনে দেশ রূপান্তর সম্পাদক মুস্তাফিজ শফি, সাবেক ফুটবলার ও রূপায়ণ গ্রুপের উপদেষ্টা আব্দুল গাফফার ও নির্বাহী সম্পাদক সাহিদুল ইসলাম চৌধুরীসহ পত্রিকাটির সাংবাদিক, কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।
সহকর্মীদের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠানটি হয়ে ওঠে স্মৃতিময় ও আবেগঘন। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন নগর সম্পাদক সরোয়ার আলম। প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন বিভাগের সহকর্মীরা কামাল উদ্দিন সবুজের কর্মদক্ষতা ও নেতৃত্বের প্রশংসা করে বিদায়ী শুভেচ্ছা জানান। সেই সঙ্গে তার হাতে শুভেচ্ছা স্মারক তুলে দেওয়া হয়।
তাদের বক্তব্যে ঘুরেফিরে উঠে আসে কামাল উদ্দিন সবুজের নেতৃত্বের নানা গুণাবলী। তারা বলেন, তিনি খুব কর্মীবান্ধব ও সহনশীল ছিলেন। কারো প্রতি কখনোই বিরক্ত হননি।
দেশ রূপান্তর সম্পাদক মুস্তাফিজ শফি বলেন, তিনি অত্যন্ত ভালো মানুষ। আমি এই প্রতিষ্ঠানে তাকে অল্প দিন পেয়েছি। এখানে যোগদানের পর সব সময় তিনি সহযোগিতা করেছেন। আমি আগামীতেও তার সহযোগিতা চাইব। তিনি আমাদের সঙ্গে ছিলেন, আছেন এবং থাকবেন। একইসঙ্গে দেশ রূপান্তরকে এগিয়ে নিতে সহকর্মীদের সহযোগিতা চান সম্পাদক।
সাবেক ফুটবলার ও রূপায়ণ গ্রুপের উপদেষ্টা আব্দুল গাফফার বলেন, তিনি বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থায় নিয়োগ পাওয়ায় আমরা সত্যিই খুব আনন্দিত। আবার কষ্টও লাগছে। আনন্দিত এই অর্থে বাইরে আমাদের পত্রিকার সুনাম হচ্ছে। সবাই বলছে দেশ রূপান্তরের প্রধান সম্পাদক বাসসের প্রধান সম্পাদক হয়েছেন। কষ্টের কারণ হচ্ছে দীর্ঘ সময় আমরা একসঙ্গে কাজ করেছি। কিন্তু এখন থেকে আর আগের মতো তাকে পাব না সে জন্য।
নির্বাহী সম্পাদক সাহিদুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, বাসস সরকারি প্রতিষ্ঠান। এই প্রতিষ্ঠানে নিয়োগের ক্ষেত্রে অনেক কিছু দেখা হয়। সরকার যার ওপর আস্থা রাখতে পারবে বলে মনে করে তাকেই নিয়োগ দেওয়া হয়। সেদিক থেকে সবুজ ভাইয়ের ওপর সরকার যে আস্থা রেখেছে, তা সত্যি আমাদের জন্য গর্বের বিষয়।
সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়ে সব সময় দেশ রূপান্তরের পাশে থাকার অঙ্গীকার করেন কামাল উদ্দিন সবুজ। বিদায়ী বক্তব্যে তিনি বলেন, আমি আগেও যেমন আপনাদের সঙ্গে ছিলাম। এখনো আছি। সব সময় সঙ্গে থাকব। আমি চাই দেশ রূপান্তর দেশের এক নম্বর পত্রিকা হোক।
