মাইকিং করে দুই গ্রামের সংঘর্ষ, আহত ২০

আপডেট : ২৩ এপ্রিল ২০২৬, ০৭:২৮ পিএম

টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে দোকানের বাকি টাকা চাওয়াকে কেন্দ্র করে মসজিদের মাইকে ঘোষণা দিয়ে দুই গ্রামের বাসিন্দাদের মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। 

বুধবার সকাল থেকে কয়েক দফা সংঘর্ষে অর্জুনা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি নিয়ামত আলী খানসহ অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন। ভাঙচুর করা হয়েছে অর্ধশতাধিক বাড়িঘর ও দোকানপাট, লুটপাট করা হয়েছে বিভিন্ন মালামাল। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

ঘটনার পর এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। মোতায়েন করা হয়েছে অতিরিক্ত পুলিশ। ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন পুলিশ ও উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা।

সরেজমিনে জানা যায়, ভূঞাপুর উপজেলার জগতপুরা গ্রামের শাকিলের দোকানে বাকি টাকা চাইতে যান গোপালপুর উপজেলার গোলপেঁচা গ্রামের টগর। নলিন বাজারে অবস্থিত ওই দোকানে এ সময় দুজনের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। পরে সালিশের মাধ্যমে বিষয়টি মীমাংসা হলেও উভয়পক্ষের মধ্যে আক্রোশ থেকে যায়। এরই জেরে বুধবার সকালে মসজিদের মাইকে ঘোষণা দিয়ে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে জগতপুরা-নলিন ও গোলপেঁচা গ্রামের লোকজন সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। দফায় দফায় সংঘর্ষে অন্তত ২০ জন আহত হন।

এ সময় গোলপেঁচা গ্রামের প্রায় ৩০ থেকে ৫০টি বাড়িঘর ও দোকানপাট ভাঙচুর করা হয় এবং লুটপাটের ঘটনা ঘটে বলে জানা গেছে।

ভুক্তভোগীরা জানান, হামলাকারীরা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে বাড়িঘর ও দোকানপাটে আক্রমণ চালায় এবং নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার লুট করে নিয়ে যায়। তারা জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।

ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে গোপালপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. জিল্লুর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, ৩০ থেকে ৩৫টি বাড়িঘর ও দোকানপাট ভাঙচুর করা হয়েছে। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলেও তিনি জানান।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত