হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলা জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের সাবেক সভাপতি, সাবেক শিক্ষিকা ও শিক্ষক নেত্রী রেজিয়া সুলতানা তরফদার মা দিবসে (১০ মে) তার প্রয়াত মায়ের স্মৃতিচারণ করে আবেগঘন একটি ফেসবুক স্ট্যাটাস দিয়েছেন। শনিবার (৯ মে) দিবসটি উপলক্ষে তিনি নিজের ভেরিফাইড ফেসবুক আইডিতে মায়ের স্মৃতি তুলে ধরে স্ট্যাটাসটি প্রকাশ করেন।
রেজিয়া সুলতানা তরফদারের মা শাহানা বেগম চৌধুরী ছিলেন স্থানীয় শাহানা বেগম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষিকা, জমিদাতা ও সমাজসেবিকা। তিনি এলাকায় একজন আদর্শ শিক্ষিকা ও মানবিক ব্যক্তিত্ব হিসেবে সুপরিচিত ছিলেন। মাধবপুর উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে পদকপ্রাপ্ত এই গুণী নারী ২০১৮ সালের ৯ ডিসেম্বর মৃত্যুবরণ করেন। বিএনপি নেত্রীর পিতা মরহুম আবু ওয়ালি তরফদার ছিলেন একজন অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তা ও স্থানীয় সরকারি বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক।
ফেসবুক স্ট্যাটাসে রেজিয়া সুলতানা তরফদার লেখেন, আমার মোবাইলে আজও আম্মার নাম্বারটা ডিলিট করিনি। ‘অসসধ’ লিখে সেভ করা। চোখের সামনে প্রায় প্রতিদিনই আসে। কিন্তু মোবাইলে স্পেস খালি করতে গিয়েও আম্মার নাম্বারটা আর ডিলিট করতে পারি না। মন চায় না। আল্লাহ আমার আম্মাকে জান্নাত নসিব করুন।
স্ট্যাটাসের সঙ্গে তিনি একটি পুরোনো ছবিও শেয়ার করেন। ছবিতে দেখা যায়, তার মা শাহানা বেগম চৌধুরী উপজেলা চেয়ারম্যান সৈয়দ মোহাম্মদ শাহজাহানের কাছ থেকে বেগম রোকেয়া পুরস্কার গ্রহণ করছেন।
রেজিয়া সুলতানা তরফদার বলেন, আমার মা-ই আমার আদর্শ। তিনি শুধু একজন মা ছিলেন না, একজন আদর্শ শিক্ষিকা, ভালো স্ত্রী ও সমাজসেবকও ছিলেন। একজন মা জাগলেই জাতি জাগবে। মায়ের আদর্শে উজ্জীবিত হয়েই রাজনীতিতে ভালো কিছু করার চেষ্টা করছি।
মাধবপুর পৌরসভার সাবেক মেয়র ও বিএনপি নেতা হাবিবুর রহমান মানিক বলেন, তাদের পরিবার মাধবপুরের অত্যন্ত সম্মানিত পরিবার। রেজিয়া সুলতানা একজন বহুমুখী প্রতিভার অধিকারী। তার মতো একজন নেত্রী আমাদের দলের জন্য গর্বের। আমরা তার মায়ের আত্মার মাগফিরাত কামনা করি।
স্থানীয় শিক্ষক নেতা ও সুরমা চা বাগান সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নয়ন চৌধুরী বলেন, রেজিয়া সুলতানার মাতৃভক্তি সত্যিই অনন্য উদাহরণ। মা-মেয়ে দুজনই বহুমুখী প্রতিভার অধিকারী। তিনি যেভাবে বাবা-মাকে সম্মান করছেন, তা সমাজের জন্য শিক্ষণীয়।
প্রান্তিক মানুষকে অর্থনীতির মূলধারায় আনতে চায় সরকার: অর্থমন্ত্রী