চীন সফরে বেইজিং পৌঁছেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এই সফরে দেশটির প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে বৈঠক করবেন তিনি। সফরের প্রাক্কালে ট্রাম্প জিনপিংকে ‘বন্ধু’ বলে বর্ণনা করেছেন এবং জানিয়েছেন, ইরান ইস্যুতে তার সঙ্গে কথা বলবেন। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের অভিযোগ, চলমান সংঘাতে চীন ইরানকে সহায়তা দিচ্ছে।
এদিকে ট্রাম্পের জন্য ওয়াশিংটন-বেইজিং সম্পর্কের ক্ষেত্রে চীন চারটি ‘রেড লাইন’ তথা অলঙ্ঘনীয় সীমারেখা নির্ধারণ করে দিয়েছে, যেগুলোকে ‘চ্যালেঞ্জ করা যাবে না’ বলে জানানো হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রে চীনা দূতাবাস প্রকাশিত এই চার রেড লাইনের প্রথমটিই হলো তাইওয়ান ইস্যু। দ্বিতীয়ত, গণতন্ত্র ও মানবাধিকার। তৃতীয়ত, উন্নয়নের পথ ও রাজনৈতিক ব্যবস্থা এবং চতুর্থত, ‘চীনের উন্নয়নের অধিকার’।
বেইজিং জোর দিয়ে বলেছে যে, যুক্তরাষ্ট্রকে অবশ্যই চীনের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ করা বা তাইওয়ানের ‘বিচ্ছিন্নতাবাদী’ সরকারকে সমর্থন করা থেকে বিরত থাকতে হবে। এক্স-এ দেয়া আরেক পোস্টে চীনা দূতাবাস বলেছে যে, ‘চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের একটি কৌশলগত, গঠনমূলক এবং স্থিতিশীল চীন-মার্কিন সম্পর্ক গড়ে তোলার সম্ভাবনা খতিয়ে দেখা উচিত।’
২০২৪ সালের নভেম্বরে তৎকালীন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের সঙ্গে বৈঠকের পর এক বিবৃতিতে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং প্রথম এই চার রেড লাইন ঘোষণা করেন।
তথ্যসূত্র: আরটি ও আল জাজিরা
