রংপুরে বিএনপির স্বেচ্ছাসেবক দলের এক নেতাকে থানায় আটক রেখে নির্যাতনের অভিযোগে ওসি আজাদ রহমানকে পুলিশ লাইন্সে ক্লোজড করা হয়েছে। এ নিয়ে এই ঘটনায় পাঁচ পুলিশকে ক্লোজড করা হলো। গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মেট্রোপলিটন কোতোয়ালি থানার তদন্ত ওসি রফিকুল ইসলাম। এ ঘটনায় বুধবার রাতেই তিনজনকে এবং বৃহস্পতিবার ওসিসহ দুজনকে পুলিশ লাইন্সে ক্লোজড করা হয়। সেই সঙ্গে তদন্তে অভিযোগ প্রমাণিত হলে তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানানো হয়েছে মেট্রোপলিটন পুলিশের মিডিয়া সেল থেকে। পুলিশ লাইনে ক্লোজড হওয়া অন্যরা হলেন কনস্টেবল লিমা সরেন ও বাসুদেব, ডিউটি অফিসার মেহেরুন্নেসা ও এসআই মাসুদ রানা।
সূত্রমতে, ঈদের আগে নগরীর সিও বাজার এলাকার এক প্রেমিক যুগল নিখোঁজ হওয়ার ঘটনায় পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় একটি জিডি করা হয়। এরপর ওই যুগলকে উদ্ধার করে বুধবার সন্ধ্যায় কোতোয়ালি থানায় আনা হয়। ওই যুগলের পরিবারের অনুরোধে বিষয়টি মীমাংসা করতে স্বেচ্ছাসেবক দলের কয়েকজন নেতা থানায় যান। সেখানে লাভলু নামে এক নেতার ডাকে থানায় যান রাকিবুল ইসলাম রাকিব। তিনি থানায় গিয়ে দেখতে পান, এক পুলিশ সদস্য ওই যুগলকে মারধর করছে। রাকিবুল বিষয়টি নিয়ে আপত্তি জানালে ওসি ও কয়েকজন পুলিশ সদস্য তাকেও মারধর করেন।
এ ঘটনার খবর পেয়ে বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা থানার সামনে জড়ো হন। অবস্থা বেগতিক দেখে থানার গেট বন্ধ করে দেওয়া হয়। এ সময় গেটের ভেতর থেকেই সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন রাকিবুল ইসলাম।
