ডাকসু–চীনা দূতাবাসের বৈঠকে সহযোগিতার নানা প্রস্তাব

আপডেট : ০৮ জুন ২০২৬, ০৮:০৬ পিএম

চীন সফর শেষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) প্রতিনিধিদল ও চীনা দূতাবাসের প্রতিনিধিদের মধ্যে এক মতবিনিময় সভা ৮ জুন সোমবার অনুষ্ঠিত হয়। 

বৈঠকের শুরুতে চীন সফরে আমন্ত্রণ জানানোর জন্য চীনা দূতাবাসের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানান ডাকসু নেতৃবৃন্দ।

বৈঠকে ডাকসু প্রতিনিধিরা জানান, চীন সফরের সময় তারা দেশটির ঐতিহ্যবাহী স্থাপনা, খ্যাতনামা বিশ্ববিদ্যালয়, সুশৃঙ্খল নগর ব্যবস্থাপনা, উন্নত নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান পরিদর্শনের সুযোগ পেয়েছেন। এসব অভিজ্ঞতা তাদের নিজ মাতৃভূমিকে আরও সমৃদ্ধ, আধুনিক ও উন্নত হিসেবে গড়ে তুলতে অনুপ্রাণিত করেছে।

বাংলাদেশ ও চীনের শিক্ষার্থী এবং গবেষকদের মধ্যে সম্পর্ক আরও জোরদার করতে ডাকসু নেতৃবৃন্দ চীনা দূতাবাসের কাছে কয়েকটি সহযোগিতামূলক উদ্যোগের প্রস্তাব তুলে ধরেন। 

প্রস্তাবগুলোর মধ্যে রয়েছে চীন-বাংলাদেশ যৌথ ফেলোশিপ কর্মসূচি, দীর্ঘমেয়াদি সেমিস্টার বা বর্ষব্যাপী একাডেমিক বিনিময় কর্মসূচি, স্বল্পমেয়াদি একাডেমিক বিনিময়, ডাকসু ও চীনের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রনেতাদের মধ্যে সংলাপ, বাংলাদেশ-চীন যুব গবেষণা উদ্যোগ, বৃত্তিমূলক ও কারিগরি দক্ষতা বিনিময় কর্মসূচি এবং চীনা ভাষা ও সংস্কৃতি বিনিময় কর্মসূচি।

এছাড়া ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পরিবেশবান্ধব ও টেকসই ক্যাম্পাস পরিবহন ব্যবস্থা গড়ে তোলার লক্ষ্যে চীনা দূতাবাসের কাছে ইকো-ফ্রেন্ডলি ইলেকট্রিক বাস ও ইলেকট্রিক কার্ট সরবরাহের প্রস্তাবও উপস্থাপন করা হয়। 

ডাকসুর মতে, এ উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে ক্যাম্পাসে কার্বন নিঃসরণ কমবে, সবুজ পরিবেশ সংরক্ষণে সহায়তা করবে এবং শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও কর্মচারীদের জন্য আধুনিক ও টেকসই যাতায়াত ব্যবস্থা নিশ্চিত হবে।

বৈঠকে চীনা দূতাবাসের কালচারাল সেক্রেটারি লি শাওপেং ডাকসু নেতৃবৃন্দের প্রস্তাবসমূহ মনোযোগসহকারে শোনেন। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন, এসব উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে বাংলাদেশ ও চীনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও গভীর, শক্তিশালী ও অর্থবহ হয়ে উঠবে।

ডাকসু সাদিক কায়েমসহ এ সময় প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। 

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত