মৌলভীবাজারের জুড়ী উপজেলায় নির্মাণাধীন একটি ভবনে কাজ করার সময় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে কুয়েতপ্রবাসী তরুণ মো. মুন্না মিয়া (১৯) মারা গেছেন। একই ঘটনায় তার বাবা মিলন মিয়া গুরুতর আহত হয়েছেন। তিনি মৌলভীবাজার সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন এবং তার অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে।
বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে উপজেলার জায়ফরনগর ইউনিয়নের ভবানীপুর এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নির্মাণাধীন পাঁচতলা একটি ভবনে একসঙ্গে কাজ করছিলেন মুন্না মিয়া ও তার বাবা মিলন মিয়া। কাজের একপর্যায়ে ভবনের ভেতরে বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে তারা দুজন বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন। পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে গতকাল বৃহস্পতিবার রাতেই চিকিৎসাধীন অবস্থায় মুন্না মিয়া মারা যান। আহত মিলন মিয়াকে মৌলভীবাজার সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তার অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন।
নিহত মুন্না মিয়া উপজেলার গোয়ালবাড়ী ইউনিয়নের জালালপুর গ্রামের প্রবাসী রিয়াজ উদ্দিন মিলন মিয়ার ছোট ছেলে। দুই ভাইয়ের মধ্যে তিনি ছিলেন কনিষ্ঠ। জন্ম ও বেড়ে ওঠা কুয়েতেই। পরিবারের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে দেশটিতে বসবাস করতেন তিনি।
পরিবার সূত্রে জানা যায়, প্রায় ছয় মাস আগে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে ছুটিতে দেশে আসেন রিয়াজ উদ্দিন মিলন মিয়া। আগামী ২৯ জুন মুন্নার কুয়েতে ফিরে যাওয়ার ফ্লাইট নির্ধারিত ছিল। এ উপলক্ষে পরিবারের সদস্যরা তার বিদেশ যাত্রার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন।
জুড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রফিকুল ইসলাম জানান, বিদ্যুৎস্পৃষ্টে মৃত্যুর ঘটনায় নিহতের স্বজনদের কোনো অভিযোগ নেই। তাদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ময়নাতদন্ত ছাড়াই মরদেহ দাফনের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় থানায় কোনো অপমৃত্যু মামলা দায়ের করা হয়নি।
দক্ষিণ কোরিয়ার সাবেক ফার্স্ট লেডির ৭ বছরের কারাদণ্ড