পে স্কেল: ‘১ জুলাই থেকেই শতভাগ মূল বেতন একবারে চাই’

আপডেট : ২৬ জুন ২০২৬, ১২:৪০ পিএম

আগামী ১ জুলাই থেকেই নবম জাতীয় পে স্কেলের শতভাগ মূল বেতন একবারে চান বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ সরকারি কর্মকর্তা কর্মচারী কল্যাণ সমিতি। আজ শুক্রবার (২৬ জুন) সংগঠনের আহ্বায়ক আবদুল মালেক এবং সদস্য সচিব আশিকুল ইসলাম স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সচিব কমিটির মিটিং নিয়ে কর্মচারী অঙ্গনে তীব্র অসন্তোষ সৃষ্টি হচ্ছে, দ্রুত চূড়ান্ত সুপারিশ প্রদানের দাবিসহ অনুরোধ কর্মচারী অঙ্গনের। ১১ বছর পরে পে স্কেল বাস্তবায়ন হতে যাচ্ছে যার অপেক্ষা আর সহ্য হচ্ছে না। কারণ বাজারে গেলে কান্না আসে, ধারদেনায় র্জরিত সব কর্মচারী দিন দিন হতাশ হচ্ছেন।

কর্মচারী নেতারা বলেন, নানা জল্পনা-কল্পনা দাবি দাওয়া নিয়ে কল্যাণ সমিতির দীর্ঘ আন্দোলন সংগ্রামের পরে যে পে স্কেল হতে যাচ্ছে, সেটা ধাপে ধাপে নয়, কিংবা একধাপে দিলো নাকি দুই ধাপে দিলে সেটা বিবেচ্য বিষয় নয়, বিবেচ্য হলো মূল বেতন সকল গ্রেডে একবারেই যাতে বাস্তবায়ন হয়। 

তারা বলেন, কর্মচারীদের সুবিধা দেয়ার পরিবর্তে সুবিধা হরন করেছে বিগত সরকার, হরনকৃত ৩টা টাইম স্কেল ও সিলেকশন গ্রেড ফেরত চায় কর্মচারীরা। ২৫ বছরের জায়গায় ২০ বছরে ফুল পেনশন নিয়ে যাতে সেচ্ছায় অবসর নেয়া যায় এতে সরকার লাভবান হবে এবং নতুন কর্মসংস্থান হবে! 

‘যারা একই পদে ৮-১০ বছর চাকরি করেন, কিন্তু পদোন্নতির সুযোগ নেই, বিশেষ করে ব্লক পদ। ২০১৫ সালের নিয়ম একটি টাইম স্কেল বা সিলেকশন গ্রেড যে নামেই হোক দুইটা পেলে সে আর গ্রেড পরিবর্তনের সুযোগ পাবে না’, যোগ করেন তারা।

এই নিয়ম চলতে পারে না উল্লেখ করে দুই কর্মচারী নেতা বলেন, এই নিয়মের সংশোধন করে ব্লক পদে ৮-১০ বছর অধিককাল একই পদে চাকরি করলে সে যেন ১১তম বছরে পরবর্তী উচ্চ গ্রেডে উন্নীত হয় এবং এটা চলতেই থাকবে।

পেনশন গ্রাচুইটি ২৩০ টাকার পরিবর্তে কমপক্ষে ৪০০ টাকা করার দাবিসহ সময়োপযোগী সব ভাতা সমূহ আপডেট করার দাবি জানান নেতারা। পাশাপাশি দ্রুত প্রজ্ঞাপন জারি করে কর্মচারীদের হতাশা দূর করা এবং স্বচ্ছলভাবে জীবনযাপন করে কর্মসম্পাদন করার সুযোগ চান তারা।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত