ধামরাইয়ে দুই ভাইকে ছুরিকাঘাতের অভিযোগ, সংবাদ সম্মেলনে গ্রেপ্তারের দাবি

আপডেট : ০৪ জুলাই ২০২৬, ১০:২৯ এএম

ঢাকার ধামরাইয়ে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে ধরে আপন দুই ভাইকে ছুরিকাঘাতের ঘটনায় অভিযুক্ত হামলাকারীদের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি উঠেছে। হামলায় গুরুতর আহত দুই ভাইয়ের মধ্যে একজন সংকটপূর্ণ অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। 

শুক্রবার (৩ জুলাই)  বিকালে সাভার পৌর এলাকার নামা বাজার মহল্লায় ভুক্তভোগী পরিবার ও হামলায় আহত ব্যক্তিদের চাচা আবু মোল্লা এক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে। সংবাদ সম্মেলনে আহত ব্যক্তিদের চাচা আবু মোল্লা দাবি করেন, গত ২৬ জুন ধামরাই উপজেলার বড় কুশিয়ারা এলাকায় জমির সীমানা নির্ধারণের জন্য স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে মাপজোখ চলাকালে তার ভাতিজা খোকন মোল্লা এবং খোকনের দুই ছেলে ইফাদ মোল্লা ও ফাহাদ মোল্লা ধারালো অস্ত্র নিয়ে তার অপর দুই ভাতিজা আনোয়ার হোসেন মোল্লা (৫৫) ও মনির হোসেন মোল্লার (৫২) ওপর হামলা চালান ।

আবু মোল্লার দাবি, গুরুতর আহত অবস্থায় আনোয়ার ও মনিরকে প্রথমে সাভারের এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে আনোয়ারের শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে ঢাকার এভারকেয়ার হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। তিনি এখনও সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তার অবস্থার সংকটাপন্ন। অস্ত্রোপচারের পর মনিরকে হাসপাতাল থেকে বাসায় নেওয়া হয়েছে।

জমি সংক্রান্ত বিরোধের বিষয়ে আবু মোল্লা বলেন, তাদের বাবা শাহজাহান মোল্লা জীবদ্দশায় সন্তান ও নাতিদের মধ্যে জমি ভাগ করে দেন এবং দলিলে প্রত্যেকের অংশের সীমানা উল্লেখ করে দেন। সম্প্রতি খোকন মোল্লা নিজের অংশ বিক্রির পর তার দুই ছেলের অংশ বিক্রির উদ্যোগ নিলে জমির সীমানা নিয়ে বিরোধ সৃষ্টি হয়। সেই বিরোধের জেরেই হামলার ঘটনা ঘটেছে বলে তার দাবি।

এ ঘটনায় মনির মোল্লার স্ত্রী রেহেনা বেগম বাদী হয়ে ২৮ জুন ধামরাই থানায় খোকন মোল্লা, তার দুই ছেলেসহ কয়েকজনকে আসামি করে মামলা করেন। তবে আবু মোল্লার অভিযোগ, হামলার শিকার না হওয়া সত্ত্বেও অভিযুক্ত পক্ষের অভিযোগের ভিত্তিতে তাদের বিরুদ্ধেও একটি পাল্টা মামলা নেওয়া হয়েছে।

তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে খোকন মোল্লা ও তার দুই ছেলে ইফাদ মোল্লা এবং ফাহাদ মোল্লার মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও ফোন রিসিভ করেনি। ধামরাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাজমুল হুদা খান বলেন, আসামিদের গ্রেপ্তারের জন্য অভিযান অব্যাহত রয়েছে। 

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত