চিরনিদ্রায় অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হক

আপডেট : ০৭ জুলাই ২০২৬, ০৭:২০ এএম

প্রখ্যাত প্রাবন্ধিক, গবেষক, সমাজ বিশ্লেষক ও বাংলা একাডেমির সভাপতি অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হককে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে রাজধানীর মিরপুর শহীদ বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে।

আবুল কাসেম ফজলুল হকের প্রথম জানাজা বাদ ফজর মিরপুরের পল্লবীর মসজিদুল আমান মসজিদে অনুষ্ঠিত হয়। পরে বাংলা একাডেমিতে তার মরদেহ রাখা হয়। সেখানে সহকর্মী, লেখক, বুদ্ধিজীবীরা ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। এরপর মরদেহ নেওয়া হয় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে। বেলা ১১টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত প্রবল বৃষ্টি উপেক্ষা করে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ, রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতাকর্মীরা তার প্রতি শেষ শ্রদ্ধা জানান। শ্রদ্ধা জানিয়েছেন ভাষাবিদ মনসুর মুসা, গবেষক মফিদুল হক, সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা শারমিন এস মুরশিদ, অধ্যাপক সিদ্দিকুর রহমান, নয়ন জাহাঙ্গীর, মোহাম্মদ শামসুল জামান, আবু সাঈদ খান প্রমুখ। প্রতিষ্ঠান ও সংগঠনের পক্ষে শ্রদ্ধা জানিয়েছে প্রগতি লেখক সংঘ, বাংলাদেশ লেখক শিবির, রাষ্ট্রভাষা বাংলা রক্ষা কমিটি, বাংলাদেশ রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলন, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি, জেএসডি, গণতান্ত্রিক বাম ঐক্য, বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দল (বাসদ), বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক ফ্রন্ট, উদীচী শিল্পীগোষ্ঠী, চারণ সাংস্কৃতিক কেন্দ্র, বাংলাদেশ যুব ইউনিয়ন, ছাত্র ইউনিয়ন, গণগ্রন্থাগার অধিদপ্তর, বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি। এরপর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা অনুষদের মূল ফটকে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন, বিভিন্ন বিভাগ এবং শিক্ষকদের সংগঠনের পক্ষ থেকে শ্রদ্ধা জানানো হয়। এ সময় উপাচার্য অধ্যাপক এবিএম ওবায়দুল ইসলাম বলেন, ‘অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হক একজন প্রথিতযশা মানুষ ছিলেন। তিনি রাষ্ট্র নিয়ে চিন্তা করতেন, সমাজ নিয়ে চিন্তা করতেন। তিনি কর্মজীবনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অনেক অবদান রেখে গেছেন। তার দর্শন, চিন্তা দিয়ে আমাদের মাঝে তিনি চিরকাল বেঁচে থাকবেন। আমরা তার কাজের জন্য আজীবন স্মরণ করব।’

দুপুর ২টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদে শেষে মরদেহ মিরপুর শহীদ বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে দাফন সম্পন্ন হয়।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত