বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে আজ মুখোমুখি হচ্ছে ফ্রান্স ও স্পেন। এই ম্যাচটি কেবল মাঠের লড়াই নয়, হয়ে দাঁড়িয়েছে বিশ্ব ফুটবলের দুই দামী শক্তির মহাযুদ্ধ। ট্রান্সফারমার্কেটের হিসাব অনুযায়ী, দুই দলের স্কোয়াডের সম্মিলিত বাজারমূল্য প্রায় ৩.২১ বিলিয়ন ডলার, যা বাংলাদেশী মুদ্রায় প্রায় ৪০,১২৫ কোটি টাকা।
ফ্রান্সের স্কোয়াডের মূল্য প্রায় ১.৭৮ বিলিয়ন ডলার বা ২২,২৫০ কোটি টাকা এবং স্পেনের মূল্য ১.৪৩ বিলিয়ন ডলার বা ১৭,৮৭৫ কোটি টাকা। বর্তমান বিশ্বের শীর্ষ পাঁচ দামী খেলোয়াড়ের মধ্যে চারজনই থাকছেন এই ম্যাচে, কেবল নরওয়ের আর্লিং হালান্ড বাদে।
সেমিফাইনালের এই তারকাবহুল লড়াইয়ে বাজারমূল্যের দিক থেকে শীর্ষে রয়েছেন স্পেনের লামিন ইয়ামাল, যার মূল্য ২৩৪ মিলিয়ন ডলার বা ২,৯২৫ কোটি টাকা। তালিকার দ্বিতীয় স্থানে থাকা ফ্রান্সের কিলিয়ান এমবাপ্পের বাজারমূল্য ২১১ মিলিয়ন ডলার বা ২,৬৩৭.৫ কোটি টাকা। এছাড়া মাইকেল ওলিসে ও পেদ্রি প্রত্যেকের বাজারমূল্য ১৭৬ মিলিয়ন ডলার বা ২,২০০ কোটি টাকা করে।
দুই দলের শক্তির জায়গাটাও ভিন্ন। আক্রমণের ধারায় ফ্রান্সের ফরোয়ার্ডদের সম্মিলিত বাজারমূল্য ৮৭৮ মিলিয়ন ডলার বা ১০,৯৭৫ কোটি টাকা, যেখানে স্পেনের আক্রমণভাগ ৪৮৯ মিলিয়ন ডলার বা ৬,১১৩ কোটি টাকার। তবে মিডফিল্ডের লড়াইয়ে স্পেন ৪৯১ মিলিয়ন ডলার বা ৬,১৩৮ কোটি টাকা নিয়ে এগিয়ে আছে, বিপরীতে ফ্রান্সের মিডফিল্ডের মূল্য ৩৬৫ মিলিয়ন ডলার বা ৪,৫৬৩ কোটি টাকা।
গোলরক্ষকদের ক্ষেত্রে স্পেন কিছুটা এগিয়ে; তাদের তিন গোলরক্ষকের সম্মিলিত বাজারমূল্য ১১৩ মিলিয়ন ডলার বা ১,৪১২ কোটি টাকা, যেখানে ফ্রান্সের গোলরক্ষকদের মোট মূল্য ৬৭ মিলিয়ন ডলার বা ৮৩৭ কোটি টাকা। তবে রক্ষণভাগের লড়াইয়ে ফ্রান্সের আধিপত্য স্পষ্ট; ফরাসি রক্ষণভাগের খেলোয়াড়দের সম্মিলিত মূল্য ৪৭৩ মিলিয়ন ডলার বা ৫,৯১৩ কোটি টাকা, যার বিপরীতে স্পেনের রক্ষণভাগের মূল্য ৩৩৭ মিলিয়ন ডলার বা ৪,২১২ কোটি টাকা।
সব মিলিয়ে উভয় দলে ১১৭ মিলিয়ন ডলার বা ১,৪৬৩ কোটি টাকা বা তার চেয়ে বেশি মূল্যের সাতজন তারকা খেলোয়াড় রয়েছেন। সব মিলিয়ে ডালাসের এই ম্যাচটি মাঠের কৌশলের পাশাপাশি আর্থিক সক্ষমতার নিরিখেও ফুটবলের নতুন এক মানদণ্ড নির্ধারণ করতে যাচ্ছে।