ভিসা না দিয়ে অর্থ আত্মসাৎ

রিমান্ডের আসামিদের ওপর ভুক্তভোগীদের হামলা

আপডেট : ১৬ জুলাই ২০২৬, ১০:৩৩ পিএম

ভিসা না দিয়ে প্রতারণার মাধ্যমে ৯১ শিক্ষার্থীর আট কোটি ৩৮ লাখ টাকা আত্মসাতের মামলার মো. হারুন অর রশিদ ওরফে মো. মতিউর রহমানসহ চার আসামির বিভিন্ন মেয়াদের রিমান্ড মঞ্জুর করেছে আদালত। বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) শুনানি শেষে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুল ইসলাম উভয় পক্ষের শুনানি শেষে জামিনের আবেদন নাকচ করে দিয়ে রিমান্ড মন্জুর করেন। রিমান্ডে যাওয়া অন্য আসামিরা হলেন- রাবেয়া খাতুন তানিয়া, সাইদুর রহমান ও মো. তানজির ইসলাম। এদের মধ্যে তানজিরের চার দিন এবং অপর তিন আসামির পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করা হয়েছে। 

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও ভাটারা থানার উপপরিদর্শক মো. বিল্লাল ভূইয়া আসামিদের সাত দিনের রিমান্ডের আবেদন করেন। পুলিশ প্রহরায় তাদের আদালতে তোলা হয়। এসময় ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্দেশ্যে গালিগালাজ শুরু করেন। আদালতের বারান্দায় নিলে কয়েকজন হামলার চেষ্টা করেন। রিমান্ড শুনানি শেষে পুলিশ হেফাজতে থাকা এই আসামিদের ওপর আদালতে চত্ত্বরে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীরা হামলা চালায়। পরে পুলিশ প্রহরায় ফের হেলমেট, বুলেটপ্রুফ জ্যাকেট ও হাতকড়া পরিয়ে আসামিদের সিড়ি দিয়ে নিচে আনা হয়।  হাজতখানায় নেওয়ার আগ মুহুর্তে উত্তেজিত শিক্ষার্থীরা হামলা চালান। এসময় পকেট গেট দিয়ে হাজতখানার ভেতরে তাদের নেয়া হয়। পরে তারা হাজতখানার প্রধান গেট ভেঙে ভেতরে যাওয়ার চেষ্টা করেন। অনেকে লাথি মেরে পুলিশের সঙ্গে মুখোমুখি অবস্থান নেন। একই মামলায়  গ্রেপ্তার মোহাম্মদ মাশায়ের রহমান অন্তর ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট রিপন হোসেনের আদালতে দায় স্বীকার করে জবানবন্দি দেন।

মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, ভিসা গাইড কোম্পানী স্টুডেন্ট ভিসার মাধ্যমে চার মাসের মধ্যে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীদের বিদেশে পাঠানোর আশ্বাস দেন। পরবর্তীতে জাস্ট থট এডুকেশন কনসালটেন্ট কোম্পানী বিভিন্ন সময়ে ৯১ শিক্ষার্থীর কাছে থেকে আট কোটি ৩৮ লাখ ৯৪ হাজার টাকা গ্রহণ করেন। তাদের কাছে থেকে অর্থ গ্রহণ করার পর নির্ধারিত সময় অতিবাহিত হলেও  বিদেশে পাঠাননি আসামিরা। টাকা আত্মসাতের ঘটনায় ৮ জুলাই ভুক্তভোগীদের পক্ষে আল আমিন বাদী হয়ে ১৩ জনের নাম উল্লেখ করে এ মামলাটি করেন।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত